নজরবন্দি ব্যুরোঃ মঙ্গলবার গোয়া থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল রোদ্দুর রায়কে। তারপর ট্রানজিট রিমান্ডের প্রক্রিয়া শেষ করে রোদ্দুরকে শহরে আনতে বুধবার রাত হয়ে গিয়েছিল কলকাতা পুলিশের। বিমানবন্দরেই সাংবাদিকদের সামনে অগ্নি বর্ষন করেছিলেন রোদ্দুর। এরপর রাতে তাঁকে রাখা হয়েছিল লালবাজার লকআপে। এদিন দুপুর আড়াইটের সময়ে ব্যাঙ্কশাল কোর্টে তোলা হয় এই ইউটিউবারকে। কিন্তু আজ জামিন পেলেন না তিনি।
আরও পড়ুনঃ ব্যাঙ্কশাল কোর্টে জয়ধ্বনি, রোদ্দূর রায়ের মুক্তির দাবিতে স্লোগান অমলকান্তিদের!

আদালতের বাইরে রোদ্দূরের সমর্থনে তার আগেই হাজির হয়েছিল বেশ কিছু সংগঠন। রোদ্দুরকে নিয়ে পুলিশের গাড়ি ঢোকে আদালত চত্বরে। গাড়ি থেকে ইউটিউবার নামাতেই তাঁর নাম ধরে চিৎকার করতে শোনা যায় ভক্ত এবং সমর্থকদের। সেই ডাকে সাড়া দেন রোদ্দুরও। তার মধ্যেই নিজের নাম শুনে সমর্থকদের উদ্দেশে হাত নেড়ে কোর্টে ঢুকে যান রোদ্দুর।

শুনানি চলাকালীন প্রবল হই হট্টগোল হয় এজলাসে। কোর্টরুমের ভিতর শুনানি চলা কালীন বেশ কয়েক বার হাততালিও পড়ে। হাততালি দেন রোদ্দূর রায়ের সমর্থকরা। যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সরকার পক্ষের আইনজীবী দীপঙ্কর কুণ্ডু। অন্যদিকে রোদ্দূরকে জামিন দেওয়ার প্রসঙ্গে দীপঙ্করের সঙ্গে তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন রোদ্দূরের আইনজীবীরা। ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগও ওঠে সরকারের বিরুদ্ধে।
রাজরোষে রোদ্দুর, ৬ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ আদালতের!

এদিন ব্যাঙ্কশাল আদালত রোদ্দুর রায়কে ৬ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। আগামী ১৪ জুন ফের আদালতে তোলা হবে রোদ্দুর রায়কে। এদিন রোদ্দুরের জামিনের তীব্র বিরোধিতা করেন সরকারি আইনজীবী। এদিন আদালত চত্বরে উপস্থিত এক ভক্তের মন্তব্য, “এক্ষেত্রে রাষ্ট্র তাঁর ক্ষমতা দেখাতে চাইছে। এখানে অভিযোগ আনা হচ্ছে রোদ্দুর রায় নাকি কুরুচিকর মন্তব্য করেছেন। এই প্রেক্ষিতেই বলি আমরা সেই মন্তব্যের সমালোচনা করতে পারি কিন্তু, এভাবে গ্রেফতার করা কি সম্ভব?”



