পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ তুলে আন্তর্জাতিক মঞ্চে জোরালো প্রচারে নামছে ভারত। পহেলগাঁও জঙ্গি হামলা-র পর পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদে যুক্ত থাকার প্রমাণ সামনে এনে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ রাজধানীগুলিতে ৪৮ জন সাংসদের সাতটি সর্বদলীয় প্রতিনিধিদল পাঠাচ্ছে মোদি সরকার। এই সফর চলবে ২২ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত।
বিশ্বমঞ্চে ভারতের বার্তা: সন্ত্রাসে ‘জিরো টলারেন্স’
এই প্রতিনিধিদলগুলির মূল লক্ষ্য—
বিদেশি সরকার ও প্রতিষ্ঠানের কাছে ভারতের অবস্থান ব্যাখ্যা করা।
পাকিস্তানের সন্ত্রাসে মদতদানের প্রমাণ তুলে ধরা।
অপারেশন সিঁদুর ও সাম্প্রতিক ভারত-পাক সংঘর্ষের প্রসঙ্গ তুলে ধরা।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে এই উদ্যোগে রাজনৈতিক বিভেদ ভুলে একত্র হয়েছেন সাংসদরা। কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর, এনসিপি সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে, ডিএমকে সাংসদ কানিমোঝি করুণানিধি-সহ বিভিন্ন দলের নেতা প্রতিনিধিদলগুলির নেতৃত্ব দেবেন। তৃণমূল কংগ্রেসকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এই সফরে অংশগ্রহণের জন্য।
কিরেন রিজিজুর বার্তা
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু তাঁর এক্স (পূর্বতন টুইটার) হ্যান্ডেলে লেখেন— “গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ভারত একতাবদ্ধ। সাতটি সর্বদলীয় প্রতিনিধিদল প্রধান মিত্র দেশগুলিতে যাচ্ছে এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের ‘জিরো টলারেন্স’ বার্তা পৌঁছে দেবে। এটি জাতীয় ঐক্যের প্রতিফলন।”
জাতীয় ঐক্যের বার্তা
এই পদক্ষেপ ভারতের কূটনৈতিক নীতির একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে, যেখানে শুধুমাত্র কূটনীতিক নয়, বহুদলীয় সাংসদদের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মঞ্চে রাজনৈতিক ঐক্যও তুলে ধরা হবে।



