নজরবন্দি ব্যুরোঃ কড়া পাহারা টপকে সময়ের আগেই নবান্নে লাল ঝাণ্ডা, “ওনার সাথে একবার দেখা করব না?”। আর কর্মসংস্থানের দাবি, দুর্নীতির প্রতিবাদে ‘ওনার’ সঙ্গে দেখা করতেই আজ বাম যুবরা দানড়িয়ে নবান্নের সামনে। এসএফআই (SFI), ডিওয়াইএফআই (DYFI)-সহ মোট দশটি বামপন্থী ছাত্র যুব সংগঠন নিল-সাদা নবান্ন চত্বরকে লাল স্রোতে ভাসাবে আজ গোটা দিন। এদিকে বাম যুব ছাত্র অভিযানের কথা মাথায় রেখেই কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল নবান্ন চত্বরে। কোন রিস্ক নেননি হাওড়া পুলিশ। তবে সব কড়া পদক্ষেপেরই ফাঁক থাকে, আর সেই ফাঁক গলেই সময়ের কিছু আগেই কিছু DYFI কর্মী সোজা নবান্নের গেটে পৌঁছে যান। আর সেখানেই শুরু হয় নবান্ন অভিযানের প্রথম ‘খন্ডযুদ্ধ’। পুলিশ গ্রেপ্তার করেন তিন আন্দোলনকারীকে।
আরও পড়ুনঃ নবান্নের অলিন্দে আচমকাই চাল চোর স্লোগান, পুলিশ কে চমক বাম যুবদের।


‘এমন ছকে খেলব যে দিদি বুঝতেই পারবেন না কী ভাবে বক্সে ঢুকে পড়লাম।’ অভিযানের আগে থেকেই এই স্লোগানই তুলছিলেন বাম যুবরা। আর কার্যত ঘটলও তাই। কড়া নিরাপত্তা এড়িয়ে একদল সময়ে আগেই পৌঁছে গেলেন নবান্নের সামনে। উড়তে থাকে লাল পতাকা, উঠতে থাকে স্লোগান। নবজাগরণের কলেজ স্ট্রিট থেকে মিছিল শুরু হবে। পুলিশ এই অভিযানের অনুমতি না দিলেও ছাত্র নেতারা আগেই সাংবাদিক সম্মেলনে ঘোষণা করেছেন কর্মসূচী হবেই পুলিশের অনুমতির পরোয়া তারা করছেন না। তারপর যা ঘটবে তার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ দায়ী থাকবে।
কড়া পাহারা টপকে সময়ের আগেই নবান্নে লাল ঝাণ্ডা, সূত্রের খবর, এরপর লালবাজার থেকে দুই ডিওয়াইএফআই নেতাকে ডেকে পাঠানো হয়। ওই দুই নেতাকে পুলিশ জানিয়েছে, ডাফরিন রোড পর্যন্ত মিছিল এগোতে দেবে পুলিশ। তারপর আর নয়। পাল্টা বাম ছাত্র-যুব নেতাদের বক্তব্য, পুলিশের ইচ্ছে পুলিশ আটকাবে। এবং পুলিশ আটকালেই সেখানে যুদ্ধ হবে বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছিল ছাত্র যুবরা। আর সেসবের মধ্যেই দিনের প্রথম ভাগেই চমকা নবান্ন পৌঁছে মমতার সরকারকে চমকে দিল একদল বাম যুব।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



