নজরবন্দি ব্যুরোঃ হাল ফেরাতে যৌথ মঞ্চে রাহুল থেকে কানহাইয়া। ফেরাতে হাল’ ব্রিগেডে কংগ্রেসকে নিয়ে ‘ফিরছে লাল’। স্লোগান উঠছে অনেক দিন ধরেই। সমর্থকেরা বলছেন বাংলায় ‘ফেরাতে হাল,ফিরুক লাল’। সেইমতই ২১ এর বিধানসভার ভোটে তৃণমূলের বিরোধীতায় বাংলায় নামছে বামেরা। সঙ্গী কংগ্রেস। বাম- কংগ্রেস জোটের খবর কদিন আগে থেকেই শোনা যাচ্ছিল। আর তাতে শিলমোহর দিয়েছে দুই দলেরই হাইকমান্ড। বাংলা বিধানসভা নির্বাচনের ২৯৪ টি আসনের মধ্যে বাম-কংগ্রেস আজ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ১৯৪ টি আসনের।
আরও পড়ুনঃ ২ দিনের সফরে আগামীকাল রাজ্যে ফের শাহ, যেতে পারেন ইস্কন মন্দিরে।
১০১ কংগ্রেস এবং ৯৩ টি বাম নিয়ে রফা হয়েছে প্রতীক্ষিত জোট। তিনটি জেলার টালবাহানা নিয়ে বাকি রইল ১০০টি আসনের সমাধান। কথা মতোই ফেব্রুয়ারির শেষে রবিবার ব্রিগেডে হচ্ছে জনসভা। সম্ভবত মার্চের শুরুতেই তালিকা চলে আসবে ২১ এর বিধানসভা ভোটের দিন ক্ষণের। সেই অর্থেই বামেরা প্রথমে ভেবেছিল ফেব্রুয়ারি বা মার্চের শুরুতে করবে ব্রিগেড জনসভা।
এখননির্বাচনী সময়সূচির কথা মাথায় রেখে ব্রিগেড সমাবেশ ফেব্রুয়ারির ২৮ সে করা হচ্ছে। মূলত ভোটের আগে সর্বস্তরের মানুষকে একত্রিত করে বার্তা দিতে চাইছে বাম-কংগ্রেস। দুই দলের কর্মীরাই ভাবছেন সকলের মধ্যে একত্রিত ভাব আনতে এই ব্রিগেড জনসভা দরকার।১৬ এর ভতে বাম কংগ্রেসের যে যেখানে জিতেছিল সেখনাই প্রার্থী দেবে তাঁরা। এই সিদ্ধান্তেই এসেছে দুই দল। গত লোকসভা ভোটে বিপুল সংখ্যায় পরাজিত হয় রাজ্যের বামেরা। মেরেকেটে ৭ শতাংশ ভোট পায় তাঁরা।
হাল ফেরাতে যৌথ মঞ্চে রাহুল থেকে কানহাইয়া। তারপর থেকেই মূলত বামেরা ভাবছিলেন বাংলায় ২১ এর ভোটের আগে জনসংযোগ বাড়িয়ে নতুন ভাবে মানুষের কাছে ফেরার কথা। কোভিড এবং আমফান সময়ে বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্যে দিয়ে জনসংযোগ গড়ে তলার চেস্টা করেছেন বামেরা। এবার লক্ষ্য ২১ এর বিধানসভায় বাংলায় লড়াই। সেই মতোই আগামী ২৮ এর সভাতে থাকছে একাধিক হেভিওয়েট নেতা মন্ত্রী। বক্তা হিসেবে থাকছেন সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী। এছারা আমন্ত্রিতদের তালিকায় থাকছেন কানহাইয়া কুমার, তেজস্বী যাদব, জিগ্নেশ মেওয়ানি প্রমুখ হেভিওয়েট নেতা মন্ত্রীরা।



