নজরবন্দি ব্যুরো: বড় বিপর্যয়! ভয়াবহ তুষারধসের কবলে সিকিমের গ্যাংটক! এই তুষারধসে কমপক্ষ মৃত্যু হয়েছে শিশু সহ ৭ জনের। আর মৃতদের পরিচয় জানিয়েছেন সিকিম সরকার। মৃতদের মধ্যে ২ জন বাঙালি রয়েছেন। একজন কলকাতার বাসিন্দা প্রীতম মাইতি ও শিলিগুড়ির বাসিন্দা সৌরভ চৌধুরী। বাকিদের মধ্যে তিনজন নেপাল আর দুজন উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। অন্যদিকে, সিকিমে বন্ধুদের সঙ্গে গিয়ে তুষার ঝড়ের পর থেকে নিখোঁজ রামনগরের প্রীতম।
আরও পড়ুন: Milk: মাসের শুরুতেই মধ্যবিত্তের পটেকে কোপ, ফের দাম বাড়ল দুধের

তাছাড়াও ধসের ঘটনায় গুরুত্বর জখম হওয়া ১৩ জনের মধ্যেও ৭ জন বাংলার বাসিন্দা। আহতদের মধ্যে ৫ জন কলকাতা ও ২ জন শিলিগুড়ি নিবাসী। যদিওবা এখনও উদ্ধারকার্য চালাচ্ছে সিকিম সরকার। পাশাপাশি আরও কেউ নিখোঁজ রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এই মুহূর্তে ঝুঁকি নিতে নারাজ সিকিম প্রশাসন। আর তাই বাতিল করা হয়েছে পর্যটকদের পারমিট।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার দুপুর ১২টা বেজে ২০ মিনিট নাগাদ মোট ১৭ মাইল এলাকা, গ্যাংটক-নাথুলা পাসের সংযোগকারী, জওহরলাল নেহরু সড়কের উপর ধস নামে। আর এই ধসের জেরেই ছয় পর্যটকের মত্যু হয়েছে। ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৩ জন। যদিওবা এখনও পর্যন্ত ওই ধসে কমপক্ষে ৮০ জন পর্যটক আটকে পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সিকিমে ভয়াবহ ধসে মৃত বাংলার দুই পর্যটক, নিখোঁজ রামনগরের যুবক

ইতিমধ্যেই উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। সিকিম পুলিশ, সিকিমের ট্র্যাভেল অ্যাসোসিয়েশন, পর্যটন দফতর, ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং যানবাহন চালকদের দ্বারা উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে। ভারতীয় সেনা সূত্র জানায়, গভীর উপত্যকা থেকে ছয়জন সহ এখনও পর্যন্ত অনেক পর্যটককে উদ্ধার করা হয়েছে এবং তাদের নিকটবর্তী হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। পাশাপাশি এক মহিলাকে তুষার নীচ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই STNM হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেইখানেই চিকিৎসাধীন তিনি।



