বিয়ের মত শুভ অনুষ্ঠানের আগে ঘটে গেল এক মর্মান্তিক ঘটনা। উদ্ধার হল স্কুল ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ। মৃত্যুর কারণ ঘিরে ধোঁয়াশা। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের মহিন্দরে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অনুমান করা হচ্ছে, বিয়েতে রাজি না থাকায় অভিমানে আত্মঘাতী হয়েছেন তরুণী (Girl committed suicide)।

আরও পড়ুন: দেবের রাজনীতিতে ‘ওয়াপসি’ সফল! লোকসভা ভোটের আগেই বড় প্রতিশ্রুতি মমতার
পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত ছাত্রীর নাম শ্রাবণী হাঁসদা (১৯)। মহিন্দর গ্রামের বাসিন্দা ওই তরুণী পর্বতপুর গার্লস হাইস্কুলের একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী ছিলেন। কিছুদিন ধরেই তাঁর বিয়ের দেখাশোনা চলছিল। ইতিমধ্যেই পাত্র পছন্দ করা হয়ে গিয়েছিল। চলতি মাসেই বিয়ের তারিখ স্থির করা হয়েছে। তার আগেই সব শেষ! গত রবিবার নিজের ঘরেই গলায় গামছার ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হন শ্রাবণী। পরিবারের লোকজনের নজরে এলে তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষ হয়নি। চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। কী কারণে তরুণী আত্মঘাতী হয়েছেন তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

পরিবারের তরফে দাবি, রবিবার সন্ধ্যে বেলায় বাড়ির সকলের সঙ্গে ছিলেন শ্রাবণী। সবার সাথেই হেসে কথা বলছিলেন। তাঁর বিয়ে নিয়েই কথা হচ্ছিল। রাতে নিজের ঘরে গিয়ে এই কাণ্ড ঘটায়। গভীর রাতে বাড়ির লোকেরাই তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। সন্ধ্যায় একবারের জন্যও কিছু সন্দেহ হতে দেননি শ্রাবণী।
পরিবারের ঠিক করা পাত্র পছন্দ নয়, বিয়ের আগেই আত্মঘাতী স্কুল ছাত্রী

মৃতার এক আত্মীয় দাবি করেন, চলতি মাসেই শ্রাবণীর বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। তোরজোড় শুরু হয়েছিল। পাত্র ঠিক হওয়ার সময়েই তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল ছেলে পছন্দ কিনা সেইসময়ে পছন্দ বলেই জানিয়েছিল। তারপর কেন এমন ঘটনা ঘটল তা বোঝা যাচ্ছে না। তদন্ত চলছে। স্কুল ছাত্রীর বিয়েতে আপত্তি ছিল? অন্য কারও সাথে সম্পর্ক ছিল, বাধ্য হয়ে বিয়েতে রাজি হতে হয়েছিল? পাত্র পছন্দ ছিল? এমন অনেক প্রশ্ন উঠছে।



