নজরবন্দি ব্যুরো: পঞ্চায়েত নির্বাচনে বীরভূমের রামপুরহাট থানার সইপুর গ্রামের সিপিআইএম কর্মী হুমায়ূন মীর (২৮) খুন হয়েছিলেন। অভিযোগ ছিল, স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরাই তাঁকে পিটিয়ে খুন করেছে। এবার সেই খুনের মামলায় ১২ জন তৃণমূল কর্মীকে যাবজ্জীবন সাজা দিল রামপুরহাট মহকুমা আদালত।
আরও পড়ুন: ৫০ দিনে পড়ল ইনসাফ যাত্রা, গড়িয়া থেকে মীনাক্ষীর নেতৃত্বে মিছিলে নজরকাড়া ভিড়


পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠা কোনও নতুন ঘটনা নয়। তবে, এখানে একটা কথা বলে রাখা ভালো, এই সিপিআইএম কর্মী খুনের ঘটনাটি কিন্তু বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচনের ঘটনা নয়। বরং, ঘটনাটি ২০১৩ সালের, অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার প্রথম পঞ্চায়েত ভোট।

২০১৩ সালে ২২শে জুলাই ছিল পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার পরদিন অর্থাৎ ২৩শে জুলাই খুন হয়েছিলেন সিপিআইএম কর্মী হুমায়ূন মীর। বাম কর্মীদের অভিযোগ ছিল, বাঁশ-লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাঁকে খুন করা হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় হুমায়ূনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় সইপুর গ্রামে।



পঞ্চায়েত ভোটে CPIM কর্মীকে পিটিয়ে খুন, ১২ জন TMC কর্মীকে যাবজ্জীবন দিল আদালত
হুমায়ূনের বোন জেসমিনা খাতুন এই ঘটনায় ১৪ জনের নামে রামপুরহাট থানায় খনের অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর তদন্ত শুরু করে পুলিশ। হুমায়ূন খুনের বিচারে এই দীর্ঘদিন ধরে আদালতে চলছি মামলা। মামলা চলাকালীন ২ অভিযুক্তের মৃত্যুও হয়। চলতি বছরের ২০শে জুলাই ১২ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। অবশেষে শুক্রবার, ২২শে ডিসেম্বর ২০২৩ সালে অভিযুক্ত ১২ জন তৃণমূল কর্মীকে যাবজ্জীবন সাজা দিলেন রামপুরহাট মহকুমা আদালতের বিচারপতি গুরুদাস বিশ্বাস।








