বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য মঙ্গলবারের সন্ধ্যা ছিল বিভ্রান্তিকর ও হতাশাজনক। হঠাৎ করেই সামাজিক মাধ্যম প্ল্যাটফর্ম এক্স (সাবেক টুইটার), ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি এবং আরও অসংখ্য ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। এই ব্যাপক ডিজিটাল বিপর্যয়ের প্রভাব পড়ে ভারত সহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে।
ব্যবহারকারীরা একের পর এক রিপোর্ট করতে থাকেন যে তারা তাদের এক্স অ্যাকাউন্টে লগ ইন করতে পারছেন না, নতুন পোস্ট আপলোড করতে সমস্যা হচ্ছেন অথবা অ্যাপই খুলছে না। এই ঘটনা টেক জগতে একটি বড় আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং সার্ভার সমস্যা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।


ঘটনার সূচনা হয় ভারতীয় সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যা নাগাদ। ডাউনডিটেক্টর নামের একটি ওয়েবসাইট, যা অনলাইন সার্ভিসে বিঘ্নতা ট্র্যাক করে, তারা রেকর্ড সংখ্যক রিপোর্ট রেকর্ড করে। মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যে শুধুমাত্র এক্স প্ল্যাটফর্ম নিয়েই ১১,৫০০-এরও বেশি সমস্যার রিপোর্ট জমা পড়ে। এই রিপোর্টগুলোর বিস্তারিত বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট অভিযোগের ৪৭ শতাংশই related to ইউজার ফিড লোড না হওয়া নিয়ে।
বন্ধ এক্স অ্যাকাউন্ট, চ্যাট জিপিটি, ওয়েবসাইটওডাউন: সার্ভার সমস্যায় বিশ্বজুড়ে নেট বিপর্যয়

৩০ শতাংশ সমস্যা ছিল মূল ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করতে না পারা নিয়ে এবং বাকি ২৩ শতাংশ সরাসরি সার্ভার কানেকশন বিচ্ছিন্ন হওয়ার সঙ্গে যুক্ত। এই পরিসংখ্যানই প্রমাণ করে সমস্যাটি কতটা বিস্তৃত ও বহুমুখী ছিল।
এই বৃহৎ আকারের ডাউনটাইমের পেছনে মূল সন্দেহের কাঁটা নির্দেশ করা হচ্ছে ক্লাউডফ্লেয়ার-এর দিকে। ক্লাউডফ্লেয়ার একটি গ্লোবাল ক্লাউড পরিকাঠামো সংস্থা, যা হাজার হাজার ওয়েবসাইটকে সুরক্ষা প্রদান করে এবং তাদের ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টে সহায়তা করে। যখন ক্লাউডফ্লেয়ারের সার্ভারে কোনো গোলযোগ তৈরি হয়, তখন তা তার অধীনস্থ অসংখ্য ওয়েবসাইটকে প্রভাবিত করে domino effect-এর মতো।


ক্লাউডফ্লেয়ার তাদের পক্ষ থেকে দ্রুত একটি বিবৃতি জারি করে জানায় যে তারা “এই বিভ্রাটের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে”। এই ঘটনার প্রভাব শুধু ব্যবহারকারীর স্তরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বাজারেও এর প্রভাব পড়ে। ক্লাউডফ্লেয়ারের মালিকানা সংস্থা ওয়েবক্লাউডের শেয়ারের দাম এই খবরে








