মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন তিনি দেশকে একত্রিত করার জন্য নতুন প্রজন্মকে আলো দেখাচ্ছেন। বুধবার রাষ্ট্রপতি পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর পর প্রথমবার জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন তিনি। ৮১ বছর বয়সী বাইডেন তরুণ প্রজন্মকে মশাল হস্তান্তরের কথা বলেন। চারবছর আগে তিনিই ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন। এবারও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে লড়তে বদ্ধপরিকর ছিলেন। কিন্তু সেটা হল না।

তাই বাইডেন জানান, “আমি আমার কাজকে শ্রদ্ধা করি ভালোবাসি। কিন্তু আমি তার চেয়েও বেশি ভালোবাসি আমার দেশকে। প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ করতে পেয়ে আমি সৌভাগ্যবান। তাকে রক্ষা করা যে কোন খেতাবের চেয়ে বেশি জরুরি। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি নতুন প্রজন্মের হাতে দেশের আগামী দিনের ভবিষ্যৎ গড়ে উঠবে। এটাই দেশকে ঐক্যবদ্ধ করার শ্রেষ্ঠ উপায়। আমার বিশ্বাস প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমি যা কাজ করেছি তা আমার দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য যথেষ্ট। তবে গণতন্ত্র বাঁচানোর জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ কিছুই হতে পারেনা”।
উল্লেখ্য, বেশ কিছুদিন ধরেই আমেরিকার রাষ্ট্রপতির শারীরিক অবস্থা ভালো যাচ্ছে না। যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। অবশেষে তার পাটি থেকে তাঁকে নির্বাচন থেকে সরে যাবার অনুরোধ করা হয়। তারপরেই প্রেসিডেন্ট বাইডেন নির্বাচন থেকে নিজেকে সরিয়ে নেবার কথা ঘোষণা করেন। তার সঙ্গে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য সমর্থন জানিয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হারিস কে।

বাইটনের ওভাল অফিসের ভাষণের সময় কমলা হ্যারিস কে নভেম্বরের নির্বাচনের জন্য একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে বর্ণনা করেছেন বাইডেন, কমলা হ্যারিসকে নিয়ে তিনি বলেছেন, “কমল হ্যারিস একজন অভিজ্ঞ কঠোর এবং সক্ষম। তিনি এখন আমাদের দেশের জন্য একজন অবিশ্বাস্য অংশীদার এবং একজন নিবেদিত প্রাণ নেতা। এবার তাঁকে বেছে নেওয়া হবে কিনা তা নির্ভর করবে আমেরিকার জনগণের উপর”।
কেন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বাইডেন? কারণ জানালেন নিজেই

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দাবি করা হচ্ছে নিজের স্ত্রী ভেবে তিনি অন্য একজন মহিলাকে চুম্বন করতে গিয়েছিলেন। পরে জিল বাইডেন তাঁকে আটকান। এছাড়াও তিনি বেশ কয়েকবার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সব মিলিয়ে নিজের পার্টির নেতাদের কথা মেনে এবং শারীরিক সমস্যার কথা ভেবে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন।



