নজরবন্দি ব্যুরো: মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রাজ্যজুড়ে লক্ষী ভান্ডার এর মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকা শুরু হয়ে গিয়েছে। ভোটের পর পরই তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসার পর এই দুয়ারে সরকার প্রকল্পের মাধ্যমে বিভিন্ন কোণ থেকে লক্ষ লক্ষ মহিলারা লক্ষী ভান্ডারের ফর্ম ফিলাপ করেছেন। এবার সেগুলো যাচাই করে টাকা পাঠানোর কথা বলে সরকারের আর সরকার সেই প্রতিশ্রুতি রেখে লক্ষীর ভান্ডার মহিলাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাচ্ছে।
আরও পড়ুনঃবিরাটের মুকুটে নয়া পালক, দুবাই মিউজিয়ামে উন্মোচিত হল মোমের মূর্তি
এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের সাধারণ ক্যাটাগরির মহিলাদের প্রতি মাসে ৫০০ টাকা এবং তপশিলি ও আদিবাসী মহিলাদের প্রতি মাসে ১০০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে লক্ষীর ভান্ডার এ টাকা অ্যাকাউন্টে অনেকের আসছে না অর্থাৎ তাদের ফর্ম বাতিল হয়ে গিয়েছে। কিন্তু ঠিক কী কারণে এই ফর্ম বাতিল হচ্ছে তা একটু জেনে নেওয়া দরকার। প্রথমবার ফরম বাতিল হওয়ার পরে অনেকেই দ্বিতীয়বার ফর্ম ফিলাপ করেছেন কিন্তু সে ক্ষেত্রেও একই ফল পাওয়া গিয়েছে।
এই ফরম বাতিল এর প্রধান কারণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে দুইটি। প্রথম, ফর্মে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর নম্বর ভুল। আর দ্বিতীয় কাস্ট সার্টিফিকেট এর নম্বর ভুল। আসুন এবার জেনে নেওয়া যাক ঠিক কি ভুলের জন্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই লক্ষীর ভান্ডার এর ফর্ম বাতিল হচ্ছে। অনেকেই আবেদন করার সময় আবেদনপত্রের চাওয়া স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের পূর্ণ নম্বর দিতে ভুল করছেন। স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের ক্ষেত্রে একেবারে শেষের দিকে আলাদাভাবে একটি নম্বর রয়েছে, যেটি অনেকেই তাদের আবেদনপত্রে উল্লেখ করছেন না। যে কারণে অনেকের আবেদনপত্র বাতিল হয়েছে।
ঠিক কি ভুলের জন্য বাতিল হচ্ছে আপনার লক্ষী ভান্ডারের ফর্ম, সঠিক পদ্ধতি জেনে আবেদন করুন ফের

অর্থাৎ স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর পিন নম্বরটি অনেকেই দিচ্ছেন না আর সেই কারণেই বাতিল হচ্ছে তাদের লক্ষীর ভান্ডার এর ফর্ম। অপর কারণটিও মোটামুটি একই তবে এটি কাস্ট সার্টিফিকেট এর সমস্যা।অনেকের ক্ষেত্রেই আবেদন করার সময় তাদের কাস্ট সার্টিফিকেট নম্বর আবেদনপত্রে দেননি। অনেকে হয় নম্বরটি দিতেই ভুলে গিয়েছেন, আবার অনেকে ভুল নম্বর দিয়েছেন। আবার অনেক সময় কিছু আবেদনকারী অনলাইনে কাস্ট সার্টিফিকেট আবেদন করার সময় যে অ্যাপ্লিকেশন নম্বরটি পেয়েছিলেন সেটিই দিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু তা একেবারেই ভুল। ওই অ্যাপ্লিকেশন নম্বর আর রেজিস্ট্রেশন নম্বর আলাদা। তাই সঠিকভাবে কাস্ট সার্টিফিকেটের নম্বর দিতে হবে। নাহলেই বাতিল হবে আবেদনপত্র।




