যীশু রায়ঃ সুশান্ত মৃত্যু মামলায় মাদক যোগ সামনে আসার পর আটঘাট বেঁধে তদন্ত নামে জাতীয় মাদক নিয়ন্ত্রণ সংস্থা(এনসিবি)।গত শুক্রবার সকাল 6 টাই এনসিবির দুটি দল রিয়ার ভাই সৌভিক চক্রবর্তী ও ম্যানেজার সামুয়েল মীরান্ডার ফ্ল্যাট এ হানা দেয়। সেখানে তল্লাশি করে সৌভিকের ফোন ও ল্যাপটপ বাজেয়াপ্ত করে এবং জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য দু’জনকেই এনসিবি দপ্তরে নিয়ে আসেন।
পেশ কে গ্রেফতার করে এন সি বি.অভিযোগ সুশান্ত এর খাবারে মাদক মেশাতো সে.শনিবার তার বয়ান নেওয়ার পর গ্রেফতার হয় সে. তারপরেই রিয়া কে সমন পাঠায় এন সি বি। আজ তাদের দপ্তরে যাবেন রিয়া. সেখানে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হতে পারে তাদের। এদিকে শনিবার এই নিয়ে রিয়ার বাবা অবসরপ্রাপ্ত সেনা অফিসার ইন্দ্রজিৎ চক্রবর্তী সাংবাদিকদের বিবৃতি দিয়ে আশঙ্কা করেছেন ছেলের পর মেয়ে কে এবার গ্রেফতার করবে এনসিবি ।
তিনি বলেছেন ‘ অভিনন্দন ভারতবর্ষ. তোমরা আমার ছেলেকে গ্রেফতার করেছো। আমি নিশ্চিত তালিকায় এর পরই রয়েছে আমার মেয়ে রিয়া.জানি না তারপর কে রয়েছে. একটি মধ্যবিত্ত পরিবারকে ভেঙে দিয়েছ তোমরা। যদিও সঠিক বিচারের জন্য সবই যুক্তিযুক্ত। জয় হিন্দ ‘।মাদকযোগে এই নিয়ে 8 জনকে গ্রেফতার করেছে এনসিবি ।
জাইদ ভিলাত্রী,বসিত পরিহার, ইব্রাহিম কাইজার নামে তিন মাদক প্যাডলার ও রয়েছে সেই নামে ।শেষ দুজন পুলিশ হেফাজতে রয়েছে এবং প্রথমজন জামিন পেয়েছে বলে খবর। আপাততঃ মুম্বই গোয়ার মাদক পাচারকারিদের উপর নজর রয়েছে এনসিবির ।



