ভোটের মুখে রাজ্য বাজেট ঘিরে টানটান প্রত্যাশা। বৃহস্পতিবার দুপুরে পেশ হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের অন্তর্বর্তী বাজেট—আর সেখানেই সরকারি কর্মীদের ডিএ ৪ শতাংশ বাড়তে পারে বলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। অতীত অভিজ্ঞতা বলছে, বাজেটের দিনই একাধিকবার ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা এসেছে। সেই নজির সামনে রেখেই সপ্তদশ বিধানসভার শেষ বাজেটে অর্থ দফতরের ঝুলি থেকে সুখবর বেরোনোর আশায় দিন গুনছেন রাজ্যের কর্মচারীরা।
আজ, মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে বিধানসভার অধিবেশন। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই শেষ অধিবেশন, ফলে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক—দু’দিক থেকেই এই বাজেটের গুরুত্ব আলাদা। বৃহস্পতিবার রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস-এর ভাষণের পর দুপুর আড়াইটায় বাজেট পেশ করা হবে। দুপুর সাড়ে বারোটায় রাজ্যপাল তাঁর ভাষণ পাঠ করবেন।
এই বাজেট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর নেতৃত্বাধীন তৃতীয় তৃণমূল সরকারের শেষ বাজেট। বিধানসভা নির্বাচনের পরে নবগঠিত বিধানসভায় পূর্ণাঙ্গ বাজেট আসবে বলে এবারের বাজেট কার্যত ভোট অন অ্যাকাউন্ট। তবু কর্মচারী মহলে প্রত্যাশার পারদ চড়েছে—কারণ বাজেট মানেই অতীতে ডিএ বৃদ্ধির নজির।
কেন ডিএ বাড়ার আশায় সরকারি কর্মীরা?
সরকারি কর্মীদের যুক্তি স্পষ্ট। রাজ্যে যতবার বাজেট পেশ হয়েছে, তার বহু ক্ষেত্রেই সেই সময় বা তার আশপাশেই মহার্ঘ ভাতা (DA) বেড়েছে। এবারও সেই ধারা বজায় থাকবে—এমনটাই আশা। বিশেষ করে কেন্দ্রের ডিএ বৃদ্ধির সঙ্গে তাল মিলিয়ে রাজ্যেও সমপর্যায়ের সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জল্পনা।
এদিকে বাজেট অধিবেশনে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR) ইস্যুতে তীব্র বিতর্কের সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি একাধিক বিলও পেশ হতে পারে। কিন্তু সরকারি কর্মীদের নজর আপাতত একটাই—ডিএ বাড়ে কি না।


সব মিলিয়ে, সপ্তদশ বিধানসভার শেষ বাজেট হওয়ায় রাজনৈতিক বার্তার পাশাপাশি কর্মচারীদের জন্য আর্থিক স্বস্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা বড় প্রভাব ফেলতে পারে। বৃহস্পতিবারই স্পষ্ট হবে—প্রত্যাশা কতটা বাস্তবায়িত হচ্ছে।










