শীতে উজ্জ্বল-কোমল ত্বক কে না চায়! নিয়মিত খান মরসুমি ফল ও সবজি

শীতে উজ্জ্বল-কোমল ত্বক কে না চায়! নিয়মিত খান মরসুমি ফল ও সবজি
শীতে উজ্জ্বল-কোমল ত্বক কে না চায়! নিয়মিত খান মরসুমি ফল ও সবজি

নজরবন্দি ব্যুরোঃ শীতে উজ্জ্বল-কোমল ত্বক কে না চায়! তার জন্য মেনে চলুন সাধারন কিছু টিপস্‌। প্রয়োজনে প্রচুর জল এবং ফলের রস খান। শীতকালে বিশেষ করে আমলকী খেতে পারেন। অত্যধিক তেল এবং ভাজাভুজি একেবারেই না এবং প্রয়োজন পড়লে বেশ কিছু সাপ্লিমেন্টস নিতে পারেন। শীতকালে যে সব ফল ও সবজি পাওয়া যায়, তা স্বাস্থ্যের ওপর দারুণ প্রভাব ফেলে, তাই নিয়মিত খান মরসুমি ফল ও সবজি। কিন্তু এই মরসুমি ফল ও সবজিগুলি ত্বকের ক্ষেত্রে কতটা সহায়ক জানেন?

আরও পড়ুনঃ বাইশ বিশ্বকাপের তোড়জোড় শুরু অস্ট্রেলিয়ায়, প্রকাশিত হল সময় সূচি

শীতকালের মরসুমি ফল: 

শীতে উজ্জ্বল-কোমল ত্বক কে না চায়! নিয়মিত খান মরসুমি ফল ও সবজি
শীতে উজ্জ্বল-কোমল ত্বক কে না চায়! নিয়মিত খান মরসুমি ফল ও সবজি

মোসাম্বিলেবু: শীতকালে ত্বক থেকে রোঁয়া বা আঁশ ওঠে। ভিটামিন সি জাদুবলে ত্বকের সব সমস্যার সমাধান করে ত্বককে সুরক্ষিত করে। মোসাম্বিলেবু পুষ্টি উপাদানের ভাণ্ডার এবং অর্ধেক গ্লাস মোসাম্বিলেবুর রসে মাত্র ৫২ পরিমাণ ক্যালোরি থাকে।

আপেল: আপেল আমাদের সারাদিনের জন্য সুস্থ-সবল-প্রাণবন্ত রাখে। আপেলের মধ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণ ফাইবার, ভিটামিন সি থাকে এবং আপেল হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

কিউই: কিউই ফলের ভেতরে অনেক ধরণের পুষ্টিকর উপাদান থাকে, যেমন অধিক পরিমাণ পটাশিয়াম এবং ভিটামিন সি। রাতে নিশ্চিন্তে আরাম করে ঘুমনোর জন্য কিউই ফল অণুঘটকের কাজ করে।

নাশপাতি: নাশপাতি ফাইবার সমৃদ্ধ এবং অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে এবং কার্যকারীভাবে মেদ বাড়তে দেয় না।

বেরি: বেরির মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মুক্ত র‍্যাডিকেলের সঙ্গের লড়াই করে ত্বকের বার্ধক্যকে প্রতিরোধ করে। যা ত্বকের স্বাস্থ্য রক্ষার পাশাপাশি বয়সের ছাপ পড়াও আটকায়।

শীতকালীন স্কোয়াস: শীতকালীন স্কোয়াশ সুস্বাদু ফল। ভিটামিন এ, পটাশিয়াম এবং ক্যারোটেনোয়েডে ভরপুর এই ফল সেপ্টেম্বরের শেষদিকে হয়।

শীতকালের মরসুমি সবজি: 

শীতে উজ্জ্বল-কোমল ত্বক কে না চায়! নিয়মিত খান মরসুমি ফল ও সবজি
শীতে উজ্জ্বল-কোমল ত্বক কে না চায়! নিয়মিত খান মরসুমি ফল ও সবজি

বাঁধাকপি: বাঁধাকপিতে যথেষ্ট পরিমাণ ভিটামিন কে থাকে এবং এটা কোলেস্টেরল কমাবার প্রাথমিক উপাদান। বাঁধাকপি ডায়াবেটিস এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

ব্রাসেলস স্প্রাউট: ব্রাসেলস স্প্রাউটে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা ক্যান্সারের ঝুঁকি কমানোর সাথে অক্সিডেটিভ ক্ষতি প্রতিরোধ করে।

সেলেরি বা শাক: সেলেরি ফসফরাসের সমৃদ্ধ উৎস, যা হাড় ও দাঁত মজবুত করবার প্রধান কারণ। সবুজ শাকসবজির মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে রয়েছে। এছাড়া এর মধ্যে থাকা পুষ্টিকর উপাদান গুলি ত্বকের যত্নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বীট: বীট ডিজেনারেটিভ রোগ আটকাতে সক্ষম। বীট আসলে ভিটামিন এ, বি এবং ভিটামিন সি ছাড়াও ফোলেটের ভাণ্ডার, যা ডিএনএ সংশ্লেষণে সহায়তা করে বলে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।

গাজর: গাজরে রয়েছে ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ত্বকের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। শীতকালীন এই সবজির মধ্যে যে প্রোটিন রয়েছে যা ত্বকের কোলাজেন গঠনে সাহায্য করে। গাজরের মধ্যে ভিটামিন এ থাকে যা আমাদের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়।

মিষ্টি আলু: মিষ্টি আলুতে বিটা-ক্যারোটিন থাকে এবং এটা একাধারে চুলের বিকাশ-বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, শরীরের চর্বি ঝরায় শরীরের সঠিক গঠন সুনিশ্চিত করে এবং ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়ায়। মিষ্টি আলু বহুমুখী ক্ষমতাসম্পন্ন সবজি যা আরও অনেক কারণে উপকারী।

ওলকপি: ওলকপি এক অর্থে ভিটামিন ভরতি ঝুড়ি। ওলকপিতে যথেষ্ট পরিমাণ পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও ফসফরাস এবং খুব অল্প ক্যালোরি থাকে। টক্সিন দূর করতে এবং হজমে সাহায্য করে।

ব্রকোলি: ব্রকোলির মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা ত্বক গঠনে সাহায্য করে।

সুষম খাদ্য তালিকা জীবনীশক্তি, আনন্দ এবং সক্রিয়তা দেয়। বুদ্ধি করে এই সব ফল এবং সবজির সাহায্যে শীতকালে পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ হয়ে সুস্থ-সবল মেজাজে কাটান।