নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিজ্ঞানীদের সবুজ সংকেতের অপেক্ষা, দেশে তিনটি আলাদা প্রতিষেধকের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ চলছে ভারতে। খুব শীঘ্রই টিকাকরণ শুরু হয়ে যাবে। শুক্রবার সর্বদল বৈঠকে এ কথা জানিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । তিনি জানিয়েছেন, টিকাকরণের ক্ষেত্রে শুরুতে স্বাস্থ্যকর্মীদেরই প্রাধান্য দেওয়া হবে।
আরও পড়ুনঃ আজ বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিতে পারেন শুভেন্দু ।
তবে কারা প্রথমে টিকা পাবেন, তা কেন্দ্র এবং রাজ্যগুলির মধ্যে আলোচনার মাধ্যমেই স্থির হবে। বিজ্ঞানীরা সবুজ সংকেত দিলেই শুরু হয়ে যাবে টিকাকরণও। বৈঠকে মোদি ঘোষণা করেন, “এই মুহূর্তে ভারতে অন্তত আটটি করোনা ভ্যাকসিন ট্রায়ালের বিভিন্ন স্তরে আছে। এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই টিকা সরকারের হাতে চলে আসবে। বিজ্ঞানীরা সবুজ সংকেত দিলেই শুরু হয়ে যাবে টিকাকরণ। স্বাস্থ্যকর্মী, করোনাযোদ্ধা, বয়স্ক মানুষ এবং ক্রনিক রোগ আছে, এমন ব্যক্তিদের অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে টিকা দেওয়া হবে।
আমাদের বিজ্ঞানীরা সফলভাবে টিকা তৈরির ব্যপারে অত্যন্ত আশাবাদী। গোটা পৃথিবী আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে সস্তা এবং উপযোগী টিকার আশায়।” প্রধানমন্ত্রী আশাবাদী যে, রাজ্য এবং কেন্দ্র সরকারের সম্মিলিত প্রয়াসে টিকাকরণে কোনও সমস্যা হবে না। তাঁর দাবি, “ভারত অন্যান্য দেশের তুলনায় টিকাকরণের ক্ষেত্রে অনেক অভিজ্ঞ। এবং সেটা আমাদের কাজে লাগবে।
কেন্দ্র রাজ্য সরকারগুলির সঙ্গে টিকাকরণ নিয়ে কথা বলছে, এবং এক্ষেত্রে জনস্বাস্থ্যকেই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হবে।” শুক্রবার বেলা ১০.৩০ টায় দেশের বর্তমান করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য সব দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি ভারচুয়াল বৈঠক ডাকেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয় সব বড় দলের রাজ্যসভা এবং লোকসভার দলনেতাদের।
বিজ্ঞানীদের সবুজ সংকেতের অপেক্ষা, কংগ্রেসের তরফে বৈঠকে হাজির ছিলেন গুলাম নবি আজাদ এবং অধীর চৌধুরী। তৃণমূলের তরফে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, ডিএমকের টি আর বালু, জেডিএসের এইচ ডি দেবেগৌড়া। সব দলের প্রতিনিধিরা এদিন বৈঠকে বলার সুযোগ পাননি। তবে, প্রধানমন্ত্রী প্রত্যেককে নিজেদের বক্তব্য লিখিত আকারে পেশ করতে অনুরোধ করেন। এবং জানান, তাঁদের পরামর্শকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে।



