পড়ুয়াদের বিক্ষোভ-আন্দোলন দমন করতে লাঠি-গুলি-হুঙ্কার— প্রায় সব অস্ত্রই ব্যবহার করেছিল আওয়ামী লীগ সরকার। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। গণবিক্ষোভের জেরে শুধু প্রধানমন্ত্রিত্ব থেকে ইস্তফা দেওয়াই নয়, বাংলাদেশও ছাড়তে হল শেখ হাসিনাকে।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইস্তফা দিয়েছেন। আজ সোমবার বেলা আড়াইটায় বঙ্গভবন থেকে একটি সামরিক হেলিকপ্টার শেখ হাসিনাকে নিয়ে যাত্রা করে। তাঁর সঙ্গে তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা ছিলেন। তাঁরা হেলিকপ্টারে ভারতের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। সেই হেলিকপ্টার ল্যান্ড করেছে ত্রিপুরার আগরতলায়। সেখান সেবা বাহিনীর বিমানে দিল্লীর উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন শেখ হাসিনা। তবে ভারতের স্মরণ তিনি নেবেন না বলে খবর সূত্রের। সূত্র জানাচ্ছে, দিল্লিকে সেফ প্যাসেজ হিসেবে ব্যবহার করে লন্ডন যাচ্ছেন শেখ হাসিনা।
সোমবার দুপুরে হাসিনার দেশত্যাগের পর তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনের দখল নিয়েছিল আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতা। এরপর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ও দখল করে নেন তাঁরা। বহু মানুষকে দেখা যায়, টিভি, আসবাবপত্র লুঠ করে নিয়ে যেতে। বাংলাদেশ সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, সেনা-পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ৩০০ জনের মৃত্যু হয়েছে প্রতিবেশী দেশে।
‘প্রথম আলো’র প্রতিবেদন অনুসারে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘অসহযোগ কর্মসূচি’ ঘিরে যে অশান্তির সূত্রপাত হয়, তাতে কেবল রবিবারেই অন্তত ৯৮ জনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে ছিলেন ১৪ জন পুলিশকর্মীও। হামলা, পাল্টা হামলায় জখম হন শতাধিক মানুষ। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শাসকদল আওয়ামী লীগের কর্মী এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান আন্দোলনকারীরা।



