মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ফের চরমে। ডোনাল্ড ট্রাম্প সরাসরি মার্কিন নৌবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন—হরমুজ প্রণালিতে মাইন পাততে দেখা গেলে যে কোনও ইরানি জাহাজকে “দ্বিধা ছাড়াই ধ্বংস” করতে হবে। তবে একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেছেন, পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের পথে তিনি যেতে চান না। যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়লেও Iran এখনও দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনায় রাজি না হওয়ায় এই কড়া অবস্থান নিয়েছে আমেরিকা।
হুঁশিয়ারির প্রেক্ষাপটও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। হরমুজ ঘিরে ইতিমধ্যেই শক্তি বাড়িয়েছে মার্কিন বাহিনী। অঞ্চলে মোতায়েন হয়েছে আমেরিকার বিমানবাহী রণতরী জর্জ ডব্লু বুশ -সহ একাধিক বিমানবাহী রণতরী। মার্কিন সূত্রের দাবি, সমুদ্রপথে মাইন অপসারণের কাজ জোরকদমে চলছে এবং তা আরও বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


ট্রাম্প তাঁর বার্তায় বলেন, “সময়ের ঘড়ি দ্রুত এগোচ্ছে—আমাদের হাতে সময় আছে, ইরানের হাতে নেই।” অর্থাৎ, শান্তি আলোচনায় দেরি হলে সামরিক পদক্ষেপ আরও তীব্র হতে পারে, এমন ইঙ্গিত স্পষ্ট। তবে পরমাণু হামলার জল্পনায় জল ঢেলে তিনি জানান, “আমরা কেন পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করব? আমি তা চাই না। কোনও দেশেরই তা ব্যবহার করা উচিত নয়।”
দ্বিতীয় দফার শান্তি বৈঠক নিয়ে মার্কিন পক্ষ প্রস্তুতি শুরু করলেও ইরান এখনও চূড়ান্ত সম্মতি দেয়নি। ইরানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, আলোচনায় যোগ দেওয়ার বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে কূটনৈতিক পথ খোলা থাকলেও অনিশ্চয়তা কাটেনি।
পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলছে সম্ভাব্য নতুন নিষেধাজ্ঞা। ট্রাম্প-ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, ইরানের অর্থনীতিতে চাপ বাড়াতে আরও কঠোর পদক্ষেপের প্রস্তুতি চলছে। সব মিলিয়ে, একদিকে আলোচনার দরজা খোলা থাকলেও অন্যদিকে সামরিক প্রস্তুতি—এই দ্বিমুখী কৌশলেই এগোচ্ছে ওয়াশিংটন।









