নজরবন্দি ব্যুরো: বৃষ্টির দাপট ভেঙে সামনে এসেছে শরতের আকাশ। কাশফুলের দোলা আর শিউলি ফুলের সুভাষ জানান দিচ্ছে যে মা আসতে বেশিদিন বাকি নেই। অনেকেই আছে এই সময় ঘুরতে চলে যায়। প্ল্যানিং শুরু হয়ে গিয়েছে। কিন্তু প্রায় অধিকাংশ জায়গা ফুল! তাহলে যাবেন কোথায়? কলকাতার কাছেই রয়েছে এমন একটি জায়গা, সৌন্দর্য্যের নিরিখে যেকোনও পর্যটনকেন্দ্রকেই হার মানাতে পারে।
আরও পড়ুন: সিকিমের দুর্যোগে পরিকল্পনা বদল, পুজোয় চাহিদা বাড়ছে উত্তরবঙ্গের


আজকের গন্তব্য মুকুটমণিপুর। ব্যস্ত শহরের কোলাহল থেকে দূরে কয়েকদিন এই জায়গায় ঘুরে আসতে পারেন। প্রত্যেক বছর এখানে পুজোর সময় ভিড় হয়। চারিদিকে চারিদিকে শাল, মহুয়া, আকাশমনির জঙ্গলে ঘেরা সবুজ বন। আর তার মাঝখান থেকেই নীল জল কংসাবতী নদী বয়ে গিয়েছে। এই নদী পর্যটকদের মুগ্ধ করে। প্রকৃতি যেন ঢেলে সেজেছে জায়গাটিকে। তাই মুকুটমণিপুরকে বাঁকুড়ার সৌন্দর্যের রানীও বলা হয়ে থাকে।

যেহেতু পুজোতে পর্যটকদের ভিড় বাড়ে তাই ইতিমধ্যেই প্রশাসনের তরফে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। পর্যটন কেন্দ্রের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য কি কি ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় সেই বিষয় নিয়েও খতিয়ে দেখছেন তারা। তাই এখনই রেডি হয়ে যান বাঁকুড়ার এই সুন্দর অপরূপ এলাকা ঘুরে দেখার জন্য।



কলকাতা থেকে ২৩০ কিলোমিটার দূরে মুকুটমণিপুর। ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম মাটির বাঁধ (১১ কিলোমিটার) দীর্ঘ কংসাবতী বাঁধ রয়েছে এখানেই। পরেশনাথ পাহাড় জৈন ধর্মাবলম্বী মানুষদের তীর্থস্থান। ঘুরে দেখতে পারেন পরেশনাথ মন্দির। এই পর্যটন স্থানের তালিকায় যুক্ত হয়েছে মুসাফিরানা ভিউ পয়েন্ট ও ডিয়ার পার্ক। দু’দিন হাতে সময় নিয়ে মুকুটমণিপুর গেলে এই সব স্থানগুলোই আপনি ঘুরে দেখতে পারবেন।
কলকাতার কাছে পাহাড়-জঙ্গল একত্রে দেখার সুযোগ, অনেকেই জায়গাটিকে বলে ‘সৌন্দর্য্যের রানী’









