নজরবন্দি ব্যুরো: শীতের মরশুম দরজায় কড়া নাড়ছে। বছরের এই সময় ভ্রমণপিপাসুরা পাহাড়ের উদ্দেশ্যে ছোটে। শীত এলো কি এলো না, তারা ব্যাগ গুছিয়ে চলে যায় কোনও না কোনও ডেস্টিনেশনে। এবার আর দার্জিলিং, কালিম্পংয়ের মত একঘেয়ে জায়গায় যেতে চান না। কোথায় যাবেন বুঝতে পারছেন না? আবার বেশি টাকাও খরচ করতে চাইছেন না! তাহলে কলকাতার কাছেই এই দারুণ পাহাড়ের ঠিকানা থেকে ঘুরে আসতে পারেন। বিস্তারিত জেনে নিন এই প্রতিবেদনে।
আরও পড়ুন: পাহাড়ের কোলে ছোট এক নির্জন গ্রাম, ঘুরে আসুন এই অফবিট ঠিকানায়
আজকের গন্তব্য শুশুনিয়া পাহাড়। অনেকেই নিশ্চয়ই এই জায়গাটি সম্পর্কে জানেন। পশ্চিমবঙ্গের পর্যটনকেন্দ্রিক জেলা বাঁকুড়ায় অবস্থিত এটি। শুশুনিয়া পাহাড়টি একটি ঐতিহাসিক মূল্যবান সমৃদ্ধি। এই পাহাড়ের কোলেই একটি শিলালিপি রয়েছে, রাজা চন্দ্রবর্মণের শিলালিপি বলে পরিচিত। এটিকে পশ্চিমবঙ্গের ‘প্রাচীনতম’ শিলালিপি হিসাবে ধরা হয়। শুশুনিয়া পাহাড়ের একটি দুর্গম স্থানে অবস্থিত এই শিলালিপি। ইতিহাসের স্বাদ নিতে অনেকেই এই জায়গায় চলে এসেছে।

বাঁকুড়ার কথা উঠলেই মাথায় আসে লাল মাটি, দুর্গম খণ্ড আরও কত কী! ইতিহাসের নিদর্শন খুঁজতে চাইলে আপনাকে এই জেলায় আসতেই হবে। তবে এখানে ঘুরতে যাওয়া মানেই অনেকেই কেবল মুকুটমণিপুর জানেন, তবে সমুদ্র সৈকত ছেড়ে একবার শুশুনিয়া পাহাড় ঘুরে আসুন। পাহাড়ের পাদদেশে রয়েছে রহস্যময়ী ঝর্না, যাকে এখানকার স্থানীয়রা পবিত্র বলেও মনে করেন।

জেলার ইতিহাসের পাতায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে এই শুশুনিয়া পাহাড়। রাজা চন্দ্র বর্মনের শিলালিপি সেই ঐতিহাসিক গুরুত্বকে অন্য পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছে। উৎসবের দিন এখনও ফুরোয়নি। তবে তার মাঝেই এই ঠিকানায় একবার ঢুঁ মেরে আসতে পারেন।
কলকাতার কাছেই রয়েছে দারুণ পাহাড়, শীতের চাদরে মুড়ে আসুন এই গন্তব্যে




