নজরবন্দি ব্যুরোঃ তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তেজনা ছড়াল পূর্ব বর্ধমানে। অভিযোগ, শনিবার রাতে স্থানীয় ১২ নম্বর ওয়ার্ডের বটতলায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালায় বিজেপির লোকজন। এরপরই দু’পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। জখম হন বেশ কয়েকজন। যদিও বিজেপির তরফে দাবি, তাদের দলীয় পতাকা ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের ওপর পালটা অভিযোগকে কেন্দ্র করে রবিবার সকালেও এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশবাহিনী।
তৃণমূল- বিজেপি সংঘর্ষে ঘিরে বর্ধ্মান পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ড উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। উত্তেজনা এতটাই ছড়ায় যে এদিন রাতে এই ওয়ার্ডের তৃণমূল কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয় বলে শাসকদলের অভিযোগ। এই ঘটনায় বিজেপিকেই কাঠগড়ায় তোলে তারা। যদিও বিজেপির জেলা যুব মোর্চার সভাপতি শুভম নিয়োগী বলেন, বটতলা এলাকায় বিজেপির দলীয় পতাকা খুলে দেন তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকরা। প্রতিবাদ করলে তাঁরা বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালায়। মারধর করে। দু’জন বিজেপি কর্মী জখম হন।
অন্যদিকে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক খোকন দাস বলেন, অন্ধকারে নেশা করে এসে দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালিয়েছে বিজেপির লোকজন। পার্টি অফিসে ভাঙচুর করেছে। পুলিসকে গোটা ঘটনাই জানানো হয়েছে। যদি পুলিস কোনও ব্যবস্থা না নেয় তাহলে তৃণমূলের কর্মী, সমর্থকরাও বুঝিয়ে দেবেন। কেউ হাত গুটিয়ে বসে থাকবেন না।
আরও পড়ুনঃ বিপুল শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ হবে রামকৃষ্ণ স্কুলে, জারি বিজ্ঞপ্তি
তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে এর ঘটনায় অবশ্য একই অভিযোগ ওয়ার্ডের তৃণমূল নেতা অনন্ত মণ্ডলেরও। তাঁর কথায়, “ক্যানেল পাড়ে বিজেপি কর্মীদের মদ খাওয়ার ডেরা আছে। রাতে ওখানে মদ খেয়ে পার্টি অফিসে ভাঙচুর করেছে। তারপর পালিয়ে গিয়েছে। সামনাসামনি লড়াই করার ক্ষমতা নেই বিজেপির। তাই কাপুরুষের মতো আচরণ করছে।” যদিও বিজেপির শুভম নিয়োগী এইসব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেই দাবি করেছেন। পাল্টা পুলিসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।



