নজরবন্দি ব্যুরোঃ একুশের জানুয়ারি থেকে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে দেশে। ইতিমধ্যে দুটি পর্যায়ের টিকাদান সম্পুর্ন হয়েছে। চলতি মাস থেকে দেশে জুড়ে শুরু হয়েছে তৃতীয় পর্যায়ের টিকাদান কর্মসূচি। শুরু দিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে টিকা নেওয়ার চাহিদা না থাকলেও বর্তমান সময়ে চাহিদা বাড়ছে। কিন্তু পর্যাপ্ত ভ্যাকসিনের অভাবে টিকাদান কর্মসূচি ব্যাহত হচ্ছে বিভিন্ন রাজ্যে।
আরও পড়ুনঃ করোনার জের, এবার পিছিয়ে গেল UPSC পরীক্ষা।
উত্তরপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, কর্নাটক, অন্ধ্রপ্রদেশে ইতিমধ্যেই কোভ্যাকসিনের মজুত প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। অন্যদিকে দিল্লিতে এই টিকার জোগান নেই। ফলে যারা এই টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছিলেন তারা দ্বিতীয় ডোজ পাচ্ছেন না। এমন পরিস্থিতিতে প্রাপ্তবয়স্কদের টিকাকরণ আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। অরবিন্দ কেজরিওয়াল সরকার ঘোষণা করেছে, আপাতত শুধু মাত্র টিকা পাবেন ৪৫ এর ঊর্ধ্বের ব্যাক্তিরা এবং প্রথম সারির করোনা যোদ্ধারা।
এই ঘোষণার পাশাপাশি দিল্লি।সরকার দ্রুত ভ্যাকসিন সরবরাহের জন্য কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানিয়েছে। টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থা ভারত বায়োটেক যে পরিমাণ ভ্যাকসিন উৎপাদন করছে তাতে চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে টিকার উৎপাদন বাড়াতে তৎপর কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, উত্তরপ্রদেশের বুলন্দে ভারত ইমিউলোজিক্যাল অ্যান্ড বায়োলজিক্যাল লিমিটেডের প্ল্যান্টে কোভ্যাকসিন উৎপাদন করা হবে।
টিকা প্রস্তুতের জন্য ৩০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে এই প্ল্যান্টকে। ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারী সংস্থা ভারত বায়োটেকের তরফে বলা হয়েছে, দ্রুত এই সমস্যা থেকে বেরোনো সম্ভব। এর জন্য কি কি করণীয় তাও বিস্তারিত ভাবে কেন্দ্রের সামনে তুলে ধরেছে সংস্থা। জানা গিয়েছে, আগামী আগষ্ট মাসের মধ্যে প্রায় ৭.৮ কোটি টিকা উৎপাদনের প্রস্তাব দিয়েছে সংস্থা। ভারত বায়োটেকের ডিরেক্টর ডক্টর ভি কে মোহন জানিয়েছেন, জুলাই মাসের মধ্যে ৩.৩২ কোটি কোভ্যাকসিনের ডোজ তৈরি করা গেলে, তবেই আগষ্ট মাসের মধ্যে ৮ কোটি ডোজ উৎপাদন হবে। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহরের প্ল্যান্টে ভ্যাকসিন তৈরির কাজ শুরু হলে, সেখানে প্রতি মাসে প্রায় ২ কোটি।টিকা প্রস্তুত করা হবে।



