নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রায় ৬ হাজার ট্রেন স্টপেজকে বাতিলের পথে রেল। আগামীতে যাত্রী ও পণ্য বাহী ট্রেন চলাচলে ‘জিরো বেসড টাইম টেবিল’ বৈজ্ঞানিক নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির প্রয়োগ করবে রেল। এতে রেলের গতি বাড়বে। ফলে অলাভজনক স্টেশনগুলিতে অযথা ট্রেন থামিয়ে সময় নষ্ট করতে রাজি নয় ভারতীয় রেল।
আরও পড়ুনঃ বদলে যাচ্ছে চিরাচরিত কাগজের রেলের টিকিট, আসছে কিউআর কোড দেওয়া ডিজিটাল টিকিট।
লকডাউনের সময় আইআইটি মুম্বইয়ের সহায়তায় সময়সূচি তারির কাজ শেষ করেছে রেল। কোন স্টেশনে কেন ট্রেন থামবে তা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। তবে মহামারীর কারণে নতুন ট্রেন চলাচল নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতি প্রয়োগ থমকে রয়েছে।রেল সূত্রে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানতে পেরেছে যে, যেসব স্টেশন থেকে দিনে ৫০ জনের কম যাত্রী ট্রেনে ওঠা-নামা করে সেগুলিইকেই প্রাথমিক ভাবে বাতিলের তালিকায় ফেলা হয়েছে।
এই মানদণ্ডে প্রায় ৬ হাজার স্টপেজ বাদ পড়বে। ট্রনের গতি বৃদ্ধিই নতুন পদ্ধতি প্রয়োগের মূল কারণ।এ প্রসঙ্গে রেল বোর্ডের চেয়ারম্যান ভি কে যাদব বলেন ‘পণ্য ও যাত্রী ট্রেনের জন্য পৃথক সময়সূচী তৈরি করা হয়েছে। আলাদা করিডর ব্লকও প্রস্তুত হবে।’ সিগন্যালিং ঝঞ্ঝাট এড়িয়ে দ্রুত ট্রেন চলাচলের জন্যই এই পদক্ষেপ। ভারতীয় রেল কয়েক বছর আগেই করিডর ব্লক পদ্ধতির প্রয়োগের কথা ভেবেছিল। কিন্তু, অতি মাত্রায় ট্রেন চলাচলের কারণে তা সফল হয়নি। অপর দিকে পূর্ব রেলের হাওড়া, শিয়ালদহ, মালদা ও আসানসোল ডিভিশনের বিভিন্ন বিভাগে ২১ জুলাই জারি হওয়া নির্দেশিকায় জানা যাচ্ছে, কর্মী কমাতে তত্পর ইস্টার্ন রেলওয়ে।
মেকানিক্যাল, ইলেক্ট্রিক্যাল ও অ্যাকাউন্টস বিভাগের মতো সেফটি বিভাগ, অপারেশন বিভাগ এবং মেনটেন্যান্স বিভাগে মোট ঘোষিত পদের ১৫ শতাংশ কর্মী সংখ্যা কমানোর নির্দেশ জারি করল ভারতীয় রেলের চিফ পার্সোনেল অফিসারের দফতর। রেলকর্মীদের প্রাথমিক হিসাব, এই নির্দেশ কার্যকর হলে ২০২১-য় পূর্ব রেলের প্রায় আট হাজার কর্মী কাজ হারাবেন।







