নজরবন্দি ব্যুরোঃ রামপুরহাট কাণ্ডে পুলিশের ভুল ছিল। একথা নিজেই রবিবার জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার কথায়, কাশ্মীরে শ্রমিকরা খুন হয়েছে। আর এখানে খুন হয়েছে তৃণমূল নেতা। আগুন লাগল যাদের বাড়িতে তারাও তৃণমূল। তৃণমূলের নেতাকেই গ্রেফতার করা হয়েছে। আর তৃণমূলকেই গালাগালি দেওয়া হচ্ছে। তা হলেই বুঝুন, হাত, মাথা, পা সবই আমাদের কাটা গেল। হ্যাঁ, পুলিশের ভুল ছিল। খুনের পর ওদের আশঙ্কা করা উচিত ছিল কিছু একটা হতে পারে। পরে ওসিকে ক্লোজড করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ গোলা-বারুদে ভর্তি, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা মুখ্যমন্ত্রীর হাতের বাইরে, বিস্ফোরক সুকান্ত


মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করি। দুটো ক্লাবে গন্ডগোল হলে আমাকে গালাগালি দেবেন? এলাকায় গন্ডগোল যাতে না হয় তা দেখতে হবে। নাম আর মুখে কালি লাগিয়ে সিপিএম, কংগ্রেস, বিজেপি মিছিল করবে। আর সিপিএম, কংগ্রেস, বিজেপি তোফা হয়ে সোফায় বসে থাকবে?

উন্নাও, হাথরস, লখিমপুরের ঘটনায় কী বিচার হয়েছে? সিবিআই হয়েছে? অসমে এনআরসি নিয়ে কত লোকের মৃত্যু হল, দিল্লিতেতে কত লোক মারা গেল। কেউ বিচার পেয়েছে? কর্নাটক, উত্তরপ্রদেশে বিচার হয়েছে? ত্রিপুরা, অসম, উন্নাও, দিল্লির হিংসায় আমাদের প্রতিনিধি দল ঢুকতে দেওয়া হয়নি।


রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে মুখ্যমন্ত্রীর যুক্তি এখন সকলের হাতে মোবাইল থাকে। প্রয়োজনে ছবি তুলে পাঠাবেন। সাংবাদিকদেরও বলব। প্রয়োজনে আমাকেও ছবি পাঠাতে পারেন। কেউ এই ধরনের ঘটনা ধরিয়ে দিলে সরকার থেকে পুরস্কার দেওয়া হবে। আগামী দু’মাস টাইম নেব। তার পর কারও বিরুদ্ধে দুর্নীতি, খুনখারাপি, অত্যাচারের অভিযোগ থাকে, আমি আর একটা সেট-আপ তৈরি করব।
পুলিশের ভুল ছিল, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী
![]()
একইসঙ্গে তাঁর কথায়, দেউচা পাঁচামি হলে সেখানে লক্ষাধিক মানুষের চাকরী হত। সেটা করতে দেওয়া হবে না তাই রামপুরহাট ঘটনা ঘটানো হয়েছে। ঘটনায় বৃহত্তর ষড়যন্ত্র হয়েছে বলে দাবী করেন মুখ্যমন্ত্রী। নেতাই কাণ্ডে এখনও অবধি সিবিআই বিচার করতে পারেনি।







