নজরবন্দি ব্যুরোঃ কয়েকদিন আগেই রুটিন অপারেশনের সময় আমেরিকার একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়ে দক্ষিণ দক্ষিণ চিন সাগরে। মার্কিন যুদ্ধবিমান বাহক জাহাজ ইউএসএস কার্ল ভিনসনে অবতরণ করার সময় ভেঙে পড়েছিল এই অত্যাধুনিক প্রযুক্রির এফ-৩৫ বিমানটি। কিন্তু দক্ষিণ চিন সাগরে নিজেদের যুদ্ধ বিমান ভেঙে পড়ায় ঘুম উড়েছে আমেরিকার। ভয় একটাই, তাঁদের আগে খুঁজে পেলে, যুদ্ধবিমানের প্রযুক্তি হাতিয়ে নেবে চিন!
আরও পড়ুনঃ শারীরিক সম্পর্কে অমত, ১৩ বছরের ছেলেকে হত্যা যুবকের
এফ-৩৫ লাইটনিং ২ হচ্ছে পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধ বিমান। এর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এটি প্রায় শব্দবিহীন ফাইটার জেট। এর রয়েছে সেন্সর ফিউশন ও উন্নততর লজিস্টিক সাপোর্ট, যা কিনা জঙ্গি বিমানের ইতিহাসে সবথেকে শক্তিশালী ও মারণ ক্ষমতাধর। এ পর্যন্ত ৪৩৫টির বেশি এফ-৩৫ নির্মাণ ও সরবরাহ করা হয়েছে। সারা বিশ্বের ১৯টি ঘাঁটিতে এটি অবতরণ করে থাকে। এ জঙ্গি বিমানের পাইলটসংখ্যা ৯১০ জনের বেশি, রক্ষণাবেক্ষণকারী প্রায় ৮,৩৫০।

সমুদ্রে ভেঙে পড়ার পর এখনও বিমানটির খাঁচা উদ্ধার করতে পারেনি মার্কিন নৌসেনা। অত্যাধুনিক এই যুদ্ধ বিমানের গোপন প্রযুক্তি হাতিয়ে নিতে পারে চিন (China)। এই আতঙ্কেই সমুদ্রে ভেঙে পড়া এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান উদ্ধারে মরিয়া আমেরিকা। ভেঙে পড়ার পর আধুনিক যুদ্ধের অন্যতম সেরা হাতিয়ারটির খোঁজে অত্যন্ত দ্রুত অভিযান চালাচ্ছে মার্কিন নৌসেনা।
প্রযুক্তি হাতিয়ে নেবে চিন, সমুদ্রে ভেঙে পড়া যুদ্ধবিমান খুঁজতে মরিয়া আমেরিকা!

আমেরিকার ধারনা তাদের অত্যাধুনিক বিমানের প্রযুক্তি হাতিয়ে নিতে সমুদ্রের গভীরে গোপন তল্লাশি চালাতে পারে চিন। কোনভাবে যদি সেই বিমান তাঁদের হাতে চলে আসে তাহলে এই যুদ্ধবিমানের যাবতীয় গোপনীয়তা চলে যাবে চিনের হাতে। তারপর ‘রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং’ ব্যাবহার করে একই ধরনের বিমান বানিয়ে নিতে পারবে তারা। কারন, এফ-৩৫ বিমান বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক ফাইটার জেট। রাডার থেকে শুরু করে বিমানটির ‘ওয়েপনস কন্ট্রোল সিস্টেম’ প্রযুক্তি অত্যন্ত গোপনীয়।



