নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিলিগুড়িতে ‘পথশ্রী’ প্রকল্পের উদ্বোধন, কাজে বাঁধা দিলে হতে পারে চরম শাস্তি উত্তরবঙ্গে নির্দেশ মমতার । উত্তরবঙ্গ ছাড়ার আগে বৃস্পতিবার দুপুরে শিলিগুড়ির কাছে পূর্ব ধনতলা এলাকা থেকে পথ সংস্কার এবং তৈরিতে ‘পথশ্রী’ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী। এমনকি তাঁর কাজে বাঁধা দেওয়া নিয়ে তিনি বলেন , ”যারা টেন্ডার পাবেন না, তারা যদি কাজে বাধা সৃষ্টি করেন, তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেবে রাজ্য।” এই ধরনের অভিযোগ পেলে পুলিশ যেন দ্রুত কড়া পদক্ষেপ নেয়, তা নিয়েও হুঁশিয়ারি দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । অনেক সময়েই দেখা যায় যে সরকারি কোনও প্রকল্পের টেন্ডার না পেলে ওই সংস্থার কর্মীরা কাজে বাঁধার সৃষ্টি করেন। তৈরি হয় হাজারও সমস্যা। কাজ শেষ হতে দেরি হয়। সরকারি আধিকারিকদের মুখেই এসব অভিযোগ বহুবার শুনেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
আরও পড়ুনঃচলতি মাসে ঘোষণা হল গ্যাসের দাম, দেখে নিনি আপনার এলাকায় দাম কত হল।
তাই এবার নিজেই কড়াভাবে জানিয়ে দিলেন যে টেন্ডার না পেয়ে সরকারি কাজে বাধা তৈরি করলে, তার ফল মোটেই ভাল হবে না। কেউ পার পাবেন না, কঠিন শাস্তির মুখে পড়তেই হবে। পুলিশও যাতে এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়ামাত্রই দ্রুত কড়া পদক্ষেপ নেয়, তাও শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারকে পাশে দাঁড় করিয়ে এই বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আরও জানান, শুধু কর্মরত সংস্থা বা সরকারি আধিকারিকরাই নন, এ বিষয়ে কোনওরকম গন্ডগোল বা অস্বচ্ছতা টের পেলে সাধারণ মানুষও ‘দিদিকে বলো’ বা মুখ্যমন্ত্রীর গ্রিভান্স সেলে অভিযোগ জানাতে পারবেন।
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে পুজোর আগে রাজ্যজুড়ে ১২ হাজার কিলোমিটার রাস্তা সংস্কারের কর্মযজ্ঞে নামল রাজ্য সরকার। এদিন বেলা ১টা নাগাদ রাজগঞ্জ ব্লকের পূর্ব ধনতলায় ‘পথশ্রী’র সূচনা করেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। এ প্রকল্প অনুযায়ী, রাজ্যজুড়ে মোট ১২ হাজার কিলোমিটার রাস্তার সংস্কার এবং নতুন রাস্তা তৈরি হবে। যদিও নতুন তৈরি হওয়া রাস্তার পরিমাণ খুবই কম। বেশিরভাগ রাস্তার সংস্কার হবে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যেই এই কাজ শেষ করার টার্গেট দেওয়া হয়েছে।
শিলিগুড়িতে ‘পথশ্রী’ প্রকল্পের উদ্বোধন, কাজে বাঁধা দিলে হতে পারে চরম শাস্তি উত্তরবঙ্গে নির্দেশ মমতার । গোটা কাজটাই কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালনা ও নজরদারি করবে রাজ্য সরকার। অন্যদিকে, হাথরাসে দলিত যুবতীর উপর নৃশংস যৌন নির্যাতন ও তাঁর মৃত্যু নিয়ে সকালে টুইটারে সরব হওয়ার পাশাপাশি তিনি এই প্রকল্পের সূচনাতেও নিজের প্রতিক্রিয়া জানান। বলেন, ”কখনও দলিত, কখনও সংখ্যালঘু, কখনও আদিবাসীদের উপর এভাবেই অত্যাচার চলছে। সীতাকে যেভাবে অগ্নিপরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল, ওখানেও তেমনই চলছে। আমাদের রাজ্যে এ ধরনের ঘটনায় ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পদক্ষেপ করা হয়।”



