শুক্রবার আরজি কর মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক খুনে উত্তাল তিলোত্তমা। চিকিৎসক মিত্র প্রতিবাদে রাস্তায় নামে জুনিয়র চিকিৎসকরাও। ইতিমধ্যেই ঘটনা গ্রেপ্তার করা হয়েছে কলকাতা পুলিশের এক সিভিক ভলেন্টিয়ারকে। যার নাম সঞ্জয় রায়। এবার সেই খুনের তদন্তেই উঠে এলো এবার চাঞ্চল্যকর তথ্য। চিকিৎসকদের অনুমান ওই মহিলা চিকিৎসককে খুনের পর ধর্ষণ করা হয়েছে।
শুক্রবার তার দেহ উদ্ধারের পরেই পাঠানো হয় ময়নাতদন্তে। তারপরই জানা যায় ওই মহিলা খুন এবং ধর্ষণ করা হয়েছে। তবে এবার চিকিৎসক সূত্রে আরও জানা যাচ্ছে যে ওই মহিলাকে ধর্ষণের আগে খুন করা হয় প্রথমে। তার গলা টিপে খুন করা হয় বলেই দাবি চিকিৎসকদের। এছাড়াও তার গোপনাঙ্গে পাওয়া গিয়েছে আঘাতের চিহ্ন। পরেই অনুমান করা হচ্ছে ওই মহিলাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। তবে ওই ধর্ষণের আগে তাকে খুন করা হয় বলেই মনে করা হচ্ছে।
রিপোর্ট অনুযায়ী মহিলা চিকিৎসকের কোমর ঘাড় এবং হাঁটুতেও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে ফলে নৃশংসভাবে তাকে খুন করা হয়েছে বলে দাবি চিকিৎসকদের। এছাড়াও প্রাথমিক রিপোর্টের ইঙ্গিত মেলে, আক্রমণের সময় ওই মহিলা নিজেকে বাঁচাতে যতটা প্রতিরোধ করা দরকার ছিল ততটা করতে পারেনি। যদিও এ বিষয়ে পুলিশের দাবি। অভিযুক্ত খুবই বলশালী। যার ফলে আক্রমণের সময় ওই মহিলা পেড়ে উঠতে পারেনি। এবং ওই মহিলাকে খুব শক্তভাবে হাত, পা ও গলা চেপে ধরে ওই অভিযুক্ত। যে কারণেই ওই মহিলা প্রতিরোধ করার সুযোগ পাননি।
আর এখানেই প্রশ্ন উঠছে তাহলে কি সত্যিই সুযোগ পাননি নাকি নাকি অভিযুক্ত একা ছিল না? পাশাপাশি এ প্রশ্ন উঠছে যে যদি প্রকৃতই ওই অভিযুক্ত একা থাকে তাহলে ওই মহিলা চিৎকার করেননি কেন? আর এইসব প্রশ্নই এখন ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের।









