বিসিসিআই ২৯ মার্চ গুয়াহাটিতে বিশেষ বৈঠকের আয়োজন করেছে। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন বোর্ড সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া, নির্বাচক প্রধান অজিত আগরকর এবং ভারতীয় দলের হেড কোচ গৌতম গম্ভীর। এখানেই ভারতের পরবর্তী টেস্ট অধিনায়ক নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তবে কোহলি এসব চিন্তা না করে মাঠে নিজের খেলাটা উপভোগ করতে চান। রবিবার নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে কোহলি বলেন, “আমি শুধু ব্যাট করতে ভালোবাসি, ক্রিকেট খেলতে ভালোবাসি। ফাইনালে দলের জন্য সবকিছু দেওয়ার চেষ্টা করব।”
কোহলির এই দুরন্ত ফর্ম ফাইনালে তার থেকে প্রত্যাশাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ভারতীয় দল এখন তার পারফরম্যান্সের ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল এবং কোহলির বিশ্বাস যে, তিনি এবং তার দল এই পরিস্থিতি থেকে আরও ভালো ফলাফল নিয়ে আসতে পারবেন।
যদিও সেঞ্চুরি হাতছাড়া হয়েছে, তবুও তার খেলার ধরন এবং দলের জন্য অবদান মূল বিষয়। কোহলি জানান, "ফর্ম নিয়ে আমি মাথা ঘামাই না, এটি আপনারা ঠিক করবেন। আমার কাছে দলের জয়টাই প্রাধান্য পায়।"
ভারতের দুই ব্যাটসম্যান, শ্রেয়স আয়ার এবং অক্ষর পটেল স্পিনারদের বিরুদ্ধে আরও আগ্রাসী হতে পছন্দ করেছেন। তারা রবীন্দ্র জাডেজা এবং বরুণ চক্রবর্তীর মতো অভিজ্ঞ স্পিনারের বিপক্ষে খেলেছেন। ওয়াশিংটন সুন্দরও এই মহড়ায় স্পিনারদের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক খেলার চেষ্টা করেছেন।
এখন প্রশ্ন হল, বিরাট কোহলির এবং শুভমন গিলের মতো খেলোয়াড়দের মধ্যে কোন দিক থেকে প্রতিযোগিতা আরও জমে উঠবে? তাদের এই কৃতিত্ব ক্রিকেট বিশ্বে আরও উজ্জ্বল করেছে। আইসিসির র্যাঙ্কিংয়ে এই অবস্থান আরও বৃদ্ধি পেতে পারে যদি তারা তাদের খেলায় ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন।
পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের শুরুর দিকে রিজওয়ান এবং শাকিলের মধ্যে ১০৪ রানের একটি জুটি গড়ার পরও, পাকিস্তান জয়ের কাছাকাছি যেতে পারেনি। ভারতের দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে, পাকিস্তান দলের মধ্যে একটি শক্তিশালী লড়াইয়ের অভাব ছিল।