এমন সম্মান শুধু মোদির ব্যক্তিগত নয়, এটি ভারতের কূটনৈতিক সাফল্যেরও প্রতিচ্ছবি। আন্তর্জাতিক মহলে ভারতের গ্রহণযোগ্যতা ও প্রভাব যে ক্রমাগত বাড়ছে, তা আরও একবার প্রমাণিত হল।
প্রধানমন্ত্রী মোদীর এই বক্তব্য ভারতের পররাষ্ট্র নীতিতে ইতিবাচক বার্তা বহন করছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই অবস্থান দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও মজবুত করতে সাহায্য করবে। এখন দেখার, ভবিষ্যতে ভারত-চিন সম্পর্ক কোন পথে এগোয়।
দোল উৎসব মানেই আনন্দ, রঙ, নাচ-গান ও ভালোবাসার মিলনক্ষেত্র। এবার মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর সম্প্রীতির বার্তায় এই উৎসব আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক মতাদর্শের বাইরে গিয়েও দোলের আসল বার্তা—ভালোবাসা ও ঐক্য—নতুন মাত্রা পেয়েছে।
বিশ্বের দৃষ্টি এখন দুই রাষ্ট্রপ্রধানের সাক্ষাতে, এবং দুই দেশের বাণিজ্য, কূটনীতি ও অভিবাসন নীতির মধ্যে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, সেদিকেই তাকিয়ে কূটনীতিকরা।