আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মনে করেন, ইউক্রেনকে সামরিক সাহায্য বন্ধ রেখে তিনি রাশিয়ার সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করতে পারেন। এখন দেখার বিষয় হবে, এই সিদ্ধান্ত ইউক্রেনের জন্য কী পরিণতি বয়ে আনবে এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতি হবে কিনা।
তবে এসব বিতর্ক সত্ত্বেও কাশ তার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এফবিআইয়ের ডিরেক্টর পদটির মেয়াদ ১০ বছর, এবং এই সময়কালেই কাশ পটেল আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থার নতুন দিশা নির্ধারণ করবেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডোরকে আমেরিকা পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হবে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে
ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে মোদী সরকার তাদের কূটনৈতিক পন্থা অবলম্বন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভবিষ্যতে কীভাবে ভারত ও চিনের সীমান্ত সমস্যা সমাধান হবে, তা সময়ই বলবে।
বিশ্বের দৃষ্টি এখন দুই রাষ্ট্রপ্রধানের সাক্ষাতে, এবং দুই দেশের বাণিজ্য, কূটনীতি ও অভিবাসন নীতির মধ্যে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, সেদিকেই তাকিয়ে কূটনীতিকরা।
তারা একে অপরকে অভিনন্দন জানিয়ে, ভবিষ্যতে আরও নিবিড় সহযোগিতা এবং একত্রে কাজ করার সংকল্প করেছেন। মোদী ও ট্রাম্পের এই সম্পর্ক ভবিষ্যতে ভারতের ও আমেরিকার জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।