শনিবার আইসিসির বৈঠকে এই ইস্যুতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। তবে পিসিবি যদি হাইব্রিড মডেলে রাজি হয়, তাহলে ভারতের ম্যাচ আরব আমিরশাহিতে আয়োজনের পথ খুলে যাবে। অন্যথায় পাকিস্তানকে ছাড়াই হবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি।
২০২৫ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি পাকিস্তানের জন্য বড় এক সুযোগ হিসেবে ধরা হয়েছিল। কিন্তু নিরাপত্তা পরিস্থিতি যদি উন্নত না হয় এবং অংশগ্রহণকারী দলগুলোর আস্থা অর্জন করা না যায়, তাহলে টুর্নামেন্ট পাকিস্তান থেকে সরে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
বিশ্ব ক্রিকেটে ভারত ও পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পরিস্থিতি ক্রিকেটে প্রভাব ফেলেছে। যদি বিসিসিআই যথাযথ কারণ ব্যাখ্যা করতে ব্যর্থ হয়, তবে টুর্নামেন্টে ভারতীয় দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য চাপ তৈরি হতে পারে।
এই বিতর্কের মধ্যে পাকিস্তান ২০৩৬ সালে ভারতে অনুষ্ঠিতব্য অলিম্পিক বিডের বিরোধিতা করতে পারে বলেও শোনা যাচ্ছে। পাকিস্তান ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক অলিম্পিক সংস্থার কাছে এ বিষয়ে আবেদন করার কথা ভাবছে। অন্যদিকে, পাক সরকারও জানিয়ে দিয়েছে যে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির একটি ম্যাচও দেশের বাইরে পাঠানো হবে না।
ভারতীয় দলের অধিনায়কও দলের নিরাপত্তার বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন, এবং পিসিবির প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে টিম ইন্ডিয়ার অংশগ্রহণ এখন অনিশ্চিত।