সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে আশাহত খোদ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নিজেই। ডজন খানেক সিবিআই শেষে নোবেল হবে। মনে হচ্ছে সিবিআইয়ের থেকে সিট ভালো। কোনও ফল দেখতে পাচ্ছি না। নভেম্বর মাসে প্রথম সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলাম। আমি ক্লান্ত।
২০১৪ সালের টেট দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট।২০১৭ তে যে নিয়োগ তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল এবং সেই মোতাবেক যেসমস্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া হয়েছে তা বেআইনি ঘোষণা করল হাইকোর্ট। পাশাপাশি ২৬৯ জনকে চাকরি থেকে বরখাস্তের নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
সিবিআই তদন্তের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কংগ্রেস সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী। সোমবার কংগ্রেস সাংসদের দাবি খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের তরফে জানানো হয়েছে,সিবিআই নয়, এবিষয়ে তদন্ত করবে রাজ্য পুলিশ।
বৃহস্পতিবার ন্যাশনাল হাইওয়ের ওপর টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে বিক্ষুব্ধ জনতা। মুখ্যমন্ত্রীর বিরোধিতার পরেও পাঁচ ঘন্টা চলে বিক্ষোভ। হাওড়ার বিক্ষোভে আল কায়দা যোগ? প্রশ্ন তুলে মামলা দায়ের হল কলকাতা হাইকোর্টে।
হাইকোর্টের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, আদালতের মধ্যে সমস্যা হলে সেটা দেখার দায়িত্ব যেমন বিচারপতির। ঠিক তেমনই বিধানসভায় কোনও সমস্যা হলে দেখার দায়িত্ব স্পিকারের। তাই সমস্যা মেটাতে হবে স্পিকারকে। বিরোধী দলের কথা শুনতে হবে তাঁকে।