নজরবন্দি ব্যুরোঃ একসঙ্গে কাজ সম্ভব নয়, ফের শুভেন্দুর তোপ সৌগত কে। কিন্তু তা হয়নি। ফের শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে জলঘোলা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সূত্রের খবর শুভেন্দু অধিকারী নাকি সৌগত রায় কে এসএমকরে বলেছেন, এখনো সমস্যা মেটেনি। কিন্তু তাঁর আগেই সংবাদমাধ্যমে বৈঠকের খবর ফাঁস হয়ে যাওয়ায় তিনি অত্যন্ত ক্ষুব্ধ, বিরক্ত। শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠমহল সূত্রে খবর, বৈঠকের পর থেকে যেভাবে দলের সঙ্গে তাঁর সমস্যা মিটে গিয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে, তাতে বিরক্ত প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী।
আরও পড়ুনঃ শুরুতেই হিট মমতার দুয়ারে সরকার! প্রথম দিনেই জমা পড়ল ৩ লক্ষ আবেদন।
এদিন দুপুর ২টো ৩০ নাগাত সৌগত রায়কে মোবাইলে এসএমএস করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আমি আপনাকে যথেষ্ট শ্রদ্ধা করি। কিন্তু গতকাল বৈঠকে আমাকে অনৈতিকভাবে ডাকা হয়েছিল। আমি ভবিষ্যতে আপনাদের সঙ্গে কাজ করতে চাই না।”
কিন্তু গতকাল ঠিক কি হয়েছিল? শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রের দাবি, বৈঠক চলাকালীন সৌগত রায় ফোন করেছিলেন দলনেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় কে। ফোনে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সাথে সৌজন্য বিনিময় হয়। কিন্তু এর বেশি কোন কথা হয়নি। এদিকে বৈঠক চলাকালীন আগে যেমন ভাবে ৫ জেলার দায়িত্ব ছিল তাঁর ওপর তেমন ভাবেই সেই দায়িত্ব আবার তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান প্রাক্তন পরিবহন মন্ত্রী। ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, দাবি যতক্ষন না দল মেনে নিচ্ছে ততক্ষন শুভেন্দুর পক্ষ থেকে দলে থাকা বা নাথাকা নিয়ে কোন মন্তব্য করা হবে না।
উল্লেখ্য, গতকাল প্রাথমিক ভাবে সূত্র মারফত শুভেন্দুর সাথে বৈঠকের খবর আসে। যা কনফার্ম করেন সাংসদ সৌগত রায়। তিনি ফোনে জানান, “শুভেন্দু দলে ছিল। দলেই থাকবে। এটা বৈঠকে ফয়সলা হল। একসঙ্গে কাজ করব। এরপর শুভেন্দু অধিকারী সংবাদমাধ্যমে সব জানাবেন।” অন্যদিকে দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, তিনি আশাবাদী, ”রাজনীতিতে সব কিছু হতে পারে।”
এদিকে গতকাল বিজেপি সূত্র দাবি করে, রাজ্য বিজেপির নেতাদের বিজেপি সর্বোচ্চ নেতৃত্ব জানিয়েছে আজ রাতেই অমিত শাহ ফোনে কথা বলতে পারেন শুভেন্দু অধিকারীর সাথে। সূত্র জানিয়েছে, রাজ্য বিজেপি-তে শীর্ষ পদে থাকা তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগদানকারী নেতৃত্ব শুভেন্দুর খবরে রীতিমত বিড়ম্বনায় পড়েছেন। বিষেষত সেইসব নেতাদের যারা অতীতে শুভেন্দু অধিকারীর সাথে একসাথে তৃণমূলে থাকাকালীন ছবি পোস্ট করে তাঁকে স্বাগত জানিয়েছিলেন বিজেপিতে। সূত্রের কথায়, “এই মাসেই দাদার বিজেপি জয়েন করার কথা ছিল! কি যে হল আবার সেটা জানা খুব প্রয়োজন। তবে আমাদের বিশ্বাস দাদা বিজেপিতেই যোগ দেবেন।”



