নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভোট গণনা ৩ সপ্তাহ পিছিয়ে দিলে কারও মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ত না! কমিশন কে তিরস্কার করে ফের মন্তব্য করল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। ভোট গ্রহণ পর্বে প্রাণ গেছে অনেক সহকর্মীর তাই ভোট গণনা বয়কটের ডাক দিয়েছে একাধিক শিক্ষক সংগঠন। সংগঠনগুলির সদস্যদের মধ্যে প্রায় ৬০ হাজার শিক্ষক ভোটের ডিউটি করছেন এবার। শিক্ষক সংগঠন গুলোর এই ঘোষণায় নজিরবিহীন পরিস্থিতির মুখে নির্বাচন কমিশন। শিক্ষক সংগঠনগুলির অভিযোগ, জোর করে ভোটের ডিউটিতে পাঠানো হয়েছিল শিক্ষকদের।
আরও পড়ুনঃ রাজভবনে মিঠুন, বিজেপি জিতলে মুখ্যমন্ত্রী পদে তিনিও দাবিদার?


করোনা পরিস্থিতিতে ভোটের ডিউটিতে গিয়ে চলে গেছে অনেক প্রাণ। তাই একপ্রকার বাধ্য হয়েই উত্তরপ্রদেশের পঞ্চায়েত ভোটের গণনা বয়কটের ডাক দিয়েছে আরএসএসের (RSS) শিক্ষক সংগঠন। পাশাপাশি আরও বেশ কয়েকটি শিক্ষক সংগঠন ভোটগণনা বয়কটের ডাক দিয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, সব মিলিয়ে প্রায় ৬০ হাজার শিক্ষক আগামীকাল বয়কট করেছেন ভোট গণনা কেন্দ্র!
করোনার বাড়বাড়ন্ত পরিস্থিতিতে পঞ্চায়েত ভোট করা নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়েছিল শিক্ষক সংগঠনগুলি। কিন্তু রাজ্যের নির্বাচন কমিশন সেই আবেদনে পাত্তা দেয়নি। প্রশাসনের তরফে একপ্রকার জোর করে শিক্ষকদের ভোটের ডিউটিতে পাঠানো হয়। শিক্ষক সংগঠনগুলির দাবি, শিক্ষকদের ভয় দেখিয়ে বাধ্য করা হয় ভোটের ডিউটি করতে। অভিযোগ ভোটের ডিউটিতে না গেলে বেতন দেওয়া হবে না, এফআইআর (FIR) দায়ের করা হবে, নানাবিধ হুমকি দেওয়া হয়। তাই অনিচ্ছা সত্ত্বেও ভোটের ডিউটিতে যেতে বাধ্য হন শিক্ষকরা। কিন্তু এবার তাঁরা বেঁকে বসেছেন, একজোট হয়েছেন। অংশ নেবেন না ভোট গণনায়।
এদিকে নির্বাচন কমিশনকে এই ইস্যুতে কার্যত তিরস্কার করেছে সুপ্রিম কোর্ট। রবিবার উত্তর প্রদেশের পঞ্চায়েত ভোট গণনা নিয়ে, সুপ্রিম কোর্ট কমিশন কে বলেছে, “এই মুহুর্তে কোভিড পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। তার মধ্যেই আপনারা গণনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন! ভোট গণনা ৩ সপ্তাহ পিছিয়ে দিলে কারও মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ত না!”










