রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বহু প্রতীক্ষিত DA Hearing এখন আর কয়েক দিনের অপেক্ষা। সুপ্রিম কোর্ট ইতিমধ্যেই নিশ্চিত করেছে, আগামী ২৬ অগস্ট এই মামলার চূড়ান্ত শুনানি হবে। শুক্রবার প্রকাশিত কজলিস্টে স্পষ্ট করা হয়েছে, বকেয়া Dearness Allowance মামলা ‘টপ অব দ্য লিস্ট’ হিসেবে ধরা হয়েছে। এর ফলে সরকারি কর্মীদের আশা আরও জোরদার হয়েছে যে, ওই দিনই রায় ঘোষণা করতে পারেন বিচারপতিরা।
এই মামলায় নতুন আপডেটও এসেছে। বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিত্রর পরিবর্তে বিচারপতি সঞ্জয় কারোল ও বিচারপতি সিন্দীপ মেহতা শুনানি করবেন। কোর্ট সূত্রে জানা গিয়েছে, ১২ অগস্টের আগের শুনানিতে কর্মচারী সংগঠন, রাজ্য সরকার এবং বিভিন্ন মঞ্চ তাদের গুরুত্বপূর্ণ নথি জমা দিয়েছিল। এর মধ্যে ছিল Unity Forum ও Sangrami Joutha Mancha-র আবেদন এবং রাজ্য সরকারের সংশোধনমূলক নথি। সব মামলাকে এবার একত্রে বিচার করা হবে, যাতে প্রক্রিয়া দ্রুত এগোয়।



সরকারি কর্মীদের আশা ও উত্তেজনা
প্রায় কয়েক বছর ধরে রাজ্যের সরকারি কর্মীরা বকেয়া DA পাওয়ার জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। হাইকোর্ট ইতিমধ্যেই স্পষ্ট করেছে, DA কেবল রাজ্য সরকারের সদিচ্ছা নয়, বরং এটি আইনি অধিকার। কিন্তু রাজ্য সরকার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায়। এখন সবার চোখ শীর্ষ আদালতের দিকে—আদালত যদি DA-কে কর্মীদের সাংবিধানিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেন, তবে তারা দ্রুত তাদের পাওনা ভাতা পেতে পারেন।
সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে শিক্ষক, পুলিশ, স্বাস্থ্যকর্মী—সবাই মনে করছেন এই শুনানি তাদের Salary Relief এনে দিতে পারে। আদালতের রায় ইতিবাচক হলে শুধু বর্তমান বকেয়া নয়, ভবিষ্যতে DA পাওয়ার ক্ষেত্রে নিশ্চয়তা তৈরি হবে।
অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে রায়
বিশেষজ্ঞদের মতে, সুপ্রিম কোর্ট যদি কর্মীদের দাবিকে সমর্থন করে, তবে এর সরাসরি প্রভাব পড়বে রাজ্যের অর্থনীতি ও বাজেটের উপর। একদিকে সরকারি কর্মীরা স্বস্তি পাবেন, অন্যদিকে রাজ্য সরকারের ওপর বাড়বে আর্থিক চাপ। তবে কর্মচারীদের দাবি—তাদের ন্যায্য প্রাপ্য এতদিন আটকে রাখা হয়েছে, এবার আদালতের রায়েই মুক্তি মিলবে।


২৬ অগস্ট—নজর কেবল একটি তারিখে
এখন সব চোখ সেই নির্ধারিত দিনে। মাত্র কয়েক দিনের অপেক্ষা, এরপরেই স্পষ্ট হবে DA Hearing Outcome। সরকারি কর্মীদের মতে, এই রায় শুধুমাত্র তাদের বেতনভাতা নয়, বরং সম্মান এবং অধিকার রক্ষার লড়াই। তাই বলা যায়, ২৬ অগস্ট রাজ্যের সরকারি কর্মীদের জন্য এক ঐতিহাসিক দিন হয়ে উঠতে চলেছে।







