বৃহস্পতিবার কোচবিহারের মাথাভাঙায় গুমানির হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাংলা ভাষার অত্যন্ত পরিচিত একটি গালাগালি (শা*) ব্যবহার করে ফেললেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও তৎক্ষণাৎ ‘ভুল’ বুঝতে পেরে বক্তব্যের মধ্যেই নিজের মুখের কথা ফিরিয়ে নিয়ে ক্ষমা চেয়ে নেন তিনি। বলেন, রাগের চোটে বলে ফেলেছি! এবার সেই প্রসঙ্গেই মমতার সমালোচনায় সরব হলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের পদ্ম প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার।
আরও পড়ুন: আমাদের আপদ, বিজেপির সম্পদ! নিশীথকে ‘দেশের লজ্জা’ বলে দাগলেন মমতা
নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যের ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ করে সুকান্ত মজুমদার লেখেন, “সন্ত্রাস এবং ভাষা সন্ত্রাসের নায়িকা, দেশের প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে রাজ্যের একজন মুখ্যমন্ত্রীর এইরকম মুখের ভাষা? যে মহামনীষীরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল থেকে শ্রদ্ধেয় নেতাজি এই বাংলার মাথা বিশ্ব দরবারে উঁচু করেছিলেন, আজকের বাংলার মুখ্যমন্ত্রী সেই উঁচু মাথাকে বারংবার সকলের সামনে হেঁট করছেন। এই বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ছিঃ!”

একই দিনে কোচবিহার সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মোদীর সভায় উপস্থিত ছিলেন সুকান্ত মজুমদার। সেখানে বক্তব্যও রাখেন তিনি। সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় নরেন্দ্র মোদীকে। এরই মধ্যে মমতার বক্তব্যের সমালোচনা করলেন বালুরঘাটের পদ্ম প্রার্থী।

রাগের চোটে বক্তব্যের মধ্যে ‘কটু’ শব্দের ব্যবহার মমতার, সমালোচনায় সরব সুকান্ত
১৯ এপ্রিল থেকে শুরু লোকসভা নির্বাচন। সেদিন বাংলার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ি এই তিনটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ। সে কারণেই উত্তরবঙ্গকে ‘পাখির চোখ’ করলেন মোদী ও মমতা। কোচবিহার কেন্দ্রে এবারেও বিজেপির প্রার্থী বিদায়ী সাংসদ নিশীথ প্রমাণিক, তৃণমূলের তরফে জগদীশ চন্দ্র বাসুনিয়াকে টিকিট দেওয়া হয়েছে।




