পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বড় ধাক্কা প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর। জামিনের আবেদন খারিজ করে তাঁকে ২১ মে পর্যন্ত ইডি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিল বিশেষ আদালত। মঙ্গলবার আদালতে পেশ করা হলে ইডির তরফে দাবি করা হয়, সুজিত ‘অত্যন্ত প্রভাবশালী’ ব্যক্তি এবং জামিন পেলে তদন্তে প্রভাব ফেলতে পারেন। সেই যুক্তি মেনেই ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।
Sujit Bose-কে সোমবার রাতেই গ্রেফতার করে ED। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে আটক করা হয়।


কীভাবে গ্রেফতার হলেন সুজিত?
সোমবার সকাল থেকেই সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে হাজিরা দেন সুজিত বসু। তদন্তকারীদের মুখোমুখি হয়ে দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন হন তিনি।
সূত্রের খবর, জিজ্ঞাসাবাদের পরেও তাঁকে ইডি দফতরে বসিয়ে রাখা হয়। পরে গোটা বিষয়টি দিল্লিতে ইডির সদর দফতরে জানানো হয়। সেখান থেকে অনুমোদন আসার পর সোমবার রাত সওয়া ৯টা নাগাদ তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার করা হয়।
আগেও একাধিকবার তলব
এর আগে ৬ মে-ও পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুজিত বসুকে তলব করেছিল ইডি। তবে ভোটের কাজে ব্যস্ত থাকার কারণ দেখিয়ে তিনি একাধিকবার হাজিরা এড়িয়েছিলেন বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি।


গত ১ মে-ও তদন্তকারীদের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি। সেই জিজ্ঞাসাবাদের সময় উঠে আসা নতুন তথ্যের ভিত্তিতেই ফের তাঁকে তলব করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।
‘ষড়যন্ত্র’ অভিযোগ সুজিতের
গ্রেফতারের আগে গত ২৪ এপ্রিল সাংবাদিক বৈঠকে সুজিত বসু অভিযোগ করেছিলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই তাঁকে টার্গেট করা হচ্ছে।
তাঁর বক্তব্য ছিল, “মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিন নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এটা পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।” একইসঙ্গে তাঁর আইনজীবী দাবি করেছিলেন, চার্জশিটে সুজিত বসুর নাম নেই। তবে সেই যুক্তি আদালতে বিশেষ গুরুত্ব পায়নি বলেই মনে করছে আইনি মহল।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



