নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভোটে জিতিয়ে এনে ভেবেছিলাম তিনি মানুষের কাজ করবেন। মানুষ তাঁকে কাছে পাবে। ভাবিনি তিনি ভোটে জিতে দিল্লিতে রাসলীলা এবং রংরসিয়া করবেন। রাজনৈতিক সভা থেকে এবার সৌমিত্রর বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন সুজাতা। এমনও বললেন স্বামীকে তৃণমূল ছাড়তে নিষেধ করেছিলাম। কিন্তু ভোটের মুখে দলবদল তাঁর নেশা হয়ে গিয়েছিল।
আরও পড়ুনঃ India vs Newzeland: বোলিং লাইন আপে বদল, কিউয়িদের বিরুদ্ধে মোক্ষম চাল রোহিতের
প্রসঙ্গত, এই মুহুর্তে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলছে সৌমিত্র খাঁ এবং সুজাতা মণ্ডলের। দুই জনেই বিচারককে জানিয়েছেন তাঁরা একসঙ্গে আর থাকবেন না। আবার এখন তাঁদের রাজনৈতিক পরিচয় ভিন্ন। ২১ এর নির্বাচনের আগে সুজাতার দলবদলের পরেই সৌমিত্র ঠিক করেছিলেন আর একসঙ্গে থাকবেন না। এখন তিনি তৃণমূলের বিধায়ক। যে সৌমিত্রর জয়ের পিছনে তাঁর স্ত্রীর হাত ছিল, সেই সৌমিত্র জীবন থেকে সুজাতাকে সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ের পাল্টা সভা ছিল বাঁকুড়ায়। সেখান থেকেই সৌমিত্রর বিরুদ্ধে প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে আক্রমণ শানালেন সুজাতা। তাঁর কথায়, দলবদলু, ধান্দাবাজ সাংসদ যখন আদালতের নির্দেশে নির্বাসিত হয়েছিলেন, তখন আমি তাঁর স্ত্রী হিসাবে কর্তব্য পালন করেছিলাম। ভেবেছিলাম, তিনি মানুষের জন্য কাজ করবেন। কিন্তু তিনি ভোট এলেই আসেন, ভোট পেরোলেই চলে যান। সৌমিত্রকে ভোট পাখি বলে কটাক্ষ করেন তিনি।
দিল্লিতে রাসলীলা এবং রংরসিয়া করবেন, বিস্ফোরক সুজাতা

তাঁর সংযোজন, নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে বিজেপি সাংসদের সঙ্গে থাকতে পারলাম না। তখন নিজের দলবদলু, ধান্ধাবাজ চরিত্র লুকানোর জন্য চোখে গ্লিসারিন লাগিয়ে কেঁদে নাটক করে প্রকাশ্যে বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করলেন! এটাই বিজেপির চরিত্র। ওরা নারীদের সম্মান দিতে জানে না।



