নজরবন্দি ব্যুরোঃ আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে ১৮৩ জন অযোগ্য চাকরি প্রার্থিদের তালিকা প্রকাশ করতে হবে। স্কুল সার্ভিস কমিশনের ওয়েবসাইটে তা প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ২৪ ঘন্টা সময় দিয়েছিলেন বিচারপতি, দ্রুত অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করল কমিশন। ইতিমধ্যেই তা পর্ষদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ Mithun Dev: ডিসেম্বরেই পাখা মেলবে দেব-মিঠুন অভিনীত ‘প্রজাপতি’, প্রকাশ্যে এল জমজমাট ট্রেলার


২০১৬ এর স্কুল সার্ভিস কমিশনের নবম-দশমে ভুয়ো নিয়োগের সংখ্যা কত? আদালতের কাছে ১৮৩ জনের নিয়োগের কথা জানায় স্কুল সার্ভিস কমিশন। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রকাশ করতে ভুয়ো নিয়োগের তালিকা। কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশের নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বাদ পড়লেন কারা? জানুন এই লিঙ্কে।
একইসঙ্গে এদিন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, এদের মধ্যে কতজন, কোন স্কুলে কর্মরত, তা জেলা স্কুল পরিদর্শকের কাছে জানতে চাইবে কমিশন। আগামী ১৪ তারিখের মধ্যে প্রকাশ করতে হবে সেই তালিকা। কোনও ডিআই অফিসার যদি সঠিক পদক্ষেপ না নেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবে কলকাতা হাইকোর্ট।

কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে সিবিআই জানায়, ভুয়ো সুপারিশ দেওয়া হয়েছে ৯৫২ জনকে। বৃহস্পতিবার মামলাগুলির শুনানির হবে। এরপরেই নির্দেশ দেবেন তিনি। মামলাকারীদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম বলেন, সিবিআই ৯৫২ জনের ওএমআর শিটে গরমিল খুঁজে পেয়েছে।


দুর্নীতি সম্পর্কে স্পষ্ট করেছে সিবিআই। দুর্নীতি করতে কারসাজি করা হয়েছে ওএমআর শিটে। কমিশনের আধিকারিকদের এর জন্য দায়ি করেছে সিবিআই। জানা গেছে, ৫ নম্বর পেয়েও ৫৩ নম্বর লেখা রয়েছে সেখানে। ২০ জন প্যানেলভুক্ত ও ২০ জন ওয়েটিং লিস্টের প্রার্থীদের আদালতে জমা করেছে সিবিআই। এরপরেই স্কুল সার্ভিস কমিশন ও রাজ্য সরকারের সমালোচনা করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
২৪ ঘন্টা সময় দিয়েছিলেন বিচারপতি, ভুয়ো শিক্ষকদের তালিকা প্রকাশ

একইসঙ্গে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এদিন মন্তব্য করেন, স্কুল সার্ভিস কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্য, তিনি তদন্তে সিবিআইকে সাহায্য করছেন না। নিয়োগ দুর্নীতিতে আর কারা জড়িত? এবিষয়ে মুখ খুলছেন না তিনি। তাই সুবীরেশ ভট্টাচার্যকে দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যেও জানান বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। আরও বড় মাথা বেরিয়ে আসতে পারে। সেই মাথা খুঁজে বের করার দায়িত্ব সিবিআইকে দিয়েছেন বিচারপতি।









