নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ সাত জন বিধায়ককে সাসপেণ্ড করা হয়। এরপর মামলা গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে। হাইকোর্টের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, আদালতের মধ্যে সমস্যা হলে সেটা দেখার দায়িত্ব যেমন বিচারপতির। ঠিক তেমনই বিধানসভায় কোনও সমস্যা হলে দেখার দায়িত্ব স্পিকারের। তাই সমস্যা মেটাতে হবে স্পিকারকে। বিরোধী দলের কথা শুনতে হবে তাঁকে।
আরও পড়ুনঃ Roddur Roy: ব্যাঙ্কশাল কোর্টে জয়ধ্বনি, রোদ্দূর রায়ের মুক্তির দাবিতে স্লোগান অমলকান্তিদের!


এদিন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থা বলেন, সুষ্ঠভাবে বিধানসভা চালাতে স্পিকার এবং বিরোধী দলকে দ্রুত সমস্যার সমাধান করতে হবে। বিরোধী দলের বিধায়করা যদি সংযত হয়ে মন্তব্য করেন তাহলে কোনও সমস্যা হওয়ার কথা নয় বলে জানিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের মার্চ মাসে বাজেট অধিবেশনের শেষ দিনে বিধানসভায় তুমুল গোলমাল পরিস্থিতি তৈরি হয়। এমনকি দুইও পক্ষের বিধায়কদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। সেদিন বিরোধী দলনেতা সহ বিজেপির পাঁচ জন বিধায়ককে সাসপেণ্ড করা হয়। তার আগে বিধানসভায় অশান্তির ছড়ানোর অভিযোগে দুই জনকে সাসপেণ্ড করে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিধানসভায় কোনও সমস্যা হলে দেখার দায়িত্ব স্পিকারের, বলল আদালত

সাসপেণ্ড বিধায়কদের মধ্যে রয়েছেন, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ, মনোজ টিগ্গা, নরহরি মাহাতো, মিহির গোস্বামী, সুদীপ মুখ্যোপাধ্যায়। এবিষয়ে স্পিকারকে দ্রুত বিরোধী দলের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের অবস্থান জানতে বলেছেন স্পিকার। দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন অ্যাডভোকেট জেনারেল।










