নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভোটের আগে কোমর বেঁধে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে দুই যুযুধান তৃণমূল অ বিজেপি। এদিকে আগামী ৭ তারিখ বাংলায় আসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যদিও কোন রাজনৈতিক সভা নয় সম্পূর্ণ সরকারি প্রকল্প উদ্বোধনে হলদিয়ায় আসছেন নরেন্দ্র মোদী। রবিবার দুটি প্রকল্পের সূচনা ছাড়াও একটি প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন প্রধানমন্ত্রী। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের ওই সরকারি অনুষ্ঠান সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক হলেও জল্পনা শুরু হয়েছে অনুষ্ঠানের অতিথি তালিকা প্রকাশের পর।
আরও পড়ুনঃ “যাহা বিজেপি তাহাই তৃণমূল, দুয়ে মিলে বিজেমূল।” আরামবাগ থেকে বললেন সেলিম।
অনুষ্ঠানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও আমন্ত্রন জানানো হয়েছে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী তাঁর বাবা বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ শিশির অধিকারী শুভেন্দুর ছোট ভাই দিব্যেন্দু অধিকারীকে। এছাড়া আমন্ত্রন জানানো হয়েছে দুই মেদিনীপুরের সমস্ত সাংসদ কে। যে তালিকায় নাম রয়েছে ঘাটালের সাংসদ অভিনেতা দেবেরও। রাজনীতিবিদদের একাংশের দাবি প্রোটোকল মেনেই সরকারি অনুষ্ঠানে ডাকা হয়েছে সমস্ত সাংসদদের।
কাথির সাংসদ শিশির অধিকারী কিছু না জানালেও দিব্যেন্দু ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন তিনি উপস্থিত থাকবেন ওই সভায়। এদিকে প্রোটোকল মেনে আমন্ত্রনের কথা বলা হলেও অতিথি তালিকা প্রকাশের পর থেকেই এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে। কারন প্রশ্ন উঠছে দলবদলের আবহে এই আমন্ত্রন কি শুধুই নিয়মরক্ষার। কারণ রাজ্যের শাসক দলের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে গোটা অধিকারী পরিবারের।
শিশির অধিকারীকে একাধিক পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে রাজ্য তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। দলবদলের জল্পনা ইতিমধ্যেই উসকে দিয়েছেন দিব্যেন্দু অধিকারীও। ১০ ফেব্রুয়ারি লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা তমলুকের সাংসদের। যে খবর সামনে আসার পর জল্পনা শুরু হয়, এবার কি তাহলে সাংসদ পদে ইস্তফা দেবেন শুভেন্দুর ভাই? তার আগে মোদির অনুষ্ঠানের দিকে নজর থাকবে গোটা দেশের।
দিব্যেন্দু ইতিমধ্যেই অনুষ্ঠানে হাজির থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও অন্যান্য সাংসদরা কেন্দ্রের আমন্ত্রণে সাড়া দেবেন কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এখন মোদীর উপস্থিতিতে তৃণমূল সাংসদদের সঙ্গে নতুন কোন সমীকরণ তৈরি হয় কিনা সেই দিকেই নজর থাকবে সবার। রাজনীতিবিদদের নজর এখন ৭ তারিখের হলদিয়ায় হওয়া সরকারি অনুষ্ঠানে।



