নজরবন্দি ব্যুরোঃ শরীরের অবাঞ্ছিত লোম তুলতে মহিলারা হেয়ার রিমুভাল ক্রিম, মহিলাদের জন্য ব্যবহৃত বিশেষ রেজার কিংবা ওয়াক্স এর ব্যবহার করে থাকেন। শরীরে রোম খুবই স্বাভাবিক। ত্বকের উপর রোম রাখবেন কিনা সেটা ব্যক্তিগত অভিরুচি। রোম তুলে ফেলার সঙ্গে সুস্বাস্থ্যের কোনও সম্পর্ক নেই। অনেকে মনে করেন ওয়াক্স হল শরীরের অবাঞ্ছিত লোম দূর করার সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর উপায়। যদিও এই পদ্ধতি যথেষ্ট যন্ত্রণাদায়ক।
আরও পড়ুনঃ অখ্যাত অভিনেত্রী থেকে সংবাদের শিরোনামে, জানুন পার্থ-সাথী অর্পিতার অজানা কাহিনী।
শরীরের অন্যান্য অংশের মতো গোপনাঙ্গের বা বলা ভাল পেলভিক এরিয়ার বিকিনি লাইনের অবাঞ্ছিত লোম দুর করতেও সবচেয়ে নিরাপদ উপায় হল ওয়াক্সিং। বিকিনি ওয়াক্সিং বা ব্রাজিলিয়ন ওয়াক্সিং নামেই পরিচিত এই পদ্ধতি। মহিলাদের যোনিকেশ বা পিউবিক হেয়ারের ক্ষেত্রেও এই একই কথা প্রযোজ্য। গোপনাঙ্গ পরিচ্ছন্ন রাখার ক্ষেত্রে ত্বক বিশেষজ্ঞ একগুচ্ছ পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তবে কে কোনভাবে করবেন, সেটা মহিলাবিশেষে নির্ভর করছে।

অনেক মহিলাই শেভিংয়ের পথ বেছে নেন। আবার অনেকেই এই পথে হাঁটতে উৎসাহিত করেননি। তাদের কথায়, শেভ করলে গোপনাঙ্গে কাটাছেঁড়ার মতো ছোটখাটো ক্ষত তৈরি হতে পারে। তার থেকে পরবর্তীতে সংক্রমণ হতে পারে। রিভার্স শেভিংয়ের ফলে ইনগ্রোন হেয়ার তৈরি হতে পারে। যদি শেভিং করতেই হয়, তাহলে রোমের বিপরীত দিশায় করা যাবে না।

মিথ্যে বলে লাভ নেই হাতে পায়ে হোক বা বিকিনি লাইনে ওয়াক্সিং যন্ত্রণাদায়ক। ওয়াক্সিংয়ের সময়টা উপভোগ করার কিছুই নেই। কারো কারো সংবেদনশীল ত্বক হলে ওয়াক্সির পরও কয়েক ঘন্টা ব্যথা থাকতে পারে। কিন্তু আপনি যদি ওয়াক্সিংয়ের সময় ব্যথা লাগা বা যন্ত্রণা নিয়ে ভীত থাকেন বা আপনার ত্বক যদি অত্যন্ত স্পর্ষকাতর হয় তাহলে বিকিনি ওয়াক্সিংয়ের আধ ঘন্টা আগে হাল্কা ডোজের কোনও পেনকিলার খেয়ে নিতে পারেন। এতে কিছুটা তফাৎ তো হয়ই।

ওয়্যাক্সিং খুবই যন্ত্রণাদায়ক। ঠিকমতো করা না হলে ত্বক পুড়ে যেতে পারে। তাছাড়া এর ফলেও ইনগ্রোন হেয়ারের সমস্যা দেখা দেয়। হেয়ার রিমুভিং ক্রিম একদিকে ঝঞ্ঝাটমুক্ত ঠিকই৷ কিন্তু ত্বকে সহ্য না হলে অ্যালার্জি দেখা দিতে পারে। গোপনাঙ্গের ত্বক কালোও হয়ে যেতে পারে।
শেভিং, ওয়্যাক্সিং না ক্রিম? কীভাবে পরিচ্ছন্ন রাখবেন গোপনাঙ্গ? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা

ট্রিমিং বা কাঁচি দিয়ে রোম ছোট করে ছেঁটে ফেলা সবথেকে ঝঞ্ঝাটহীন এতে সময় কম লাগে। নেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও। তবে চিকিৎসকদের মতে কাঁচি সব সময় স্যানিটাইজ করে নিতে হবে। তাহলে সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে না। তাছাড়া তাদের পরমর্শ, দু’হাত ব্যবহার করে ট্রিমিং করতে।



