রেশন দুর্নীতি মামলায় ধৃত বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল নেতা শংকর আঢ্য (Shankar Adhya) এবার পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে (Enforcement Directorate)। মূলত, রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ওরফে বালুর লেখা চিঠির সূত্র ধরেই শংকরকে গ্রেফতার করে ইডি। শনিবার তাঁর দাবি, হেফাজতে থাকাকালীন কীভাবে চিঠি লিখলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক? কোথা থেকে পেলেন কাগজ-কলম? পাশাপাশি, শংকর (Shankar Adhya) ফের একবার দাবি করলেন, তিনি সম্পূর্ণ নির্দোষ।
আরও পড়ুন: তৃণমূলের বিরুদ্ধে মুখ খোলায় ‘একঘরে’! বাড়িতে পুলিশ ডেকে অভিযোগ তাপস পালের স্ত্রী-কন্যার


প্রসঙ্গত, শংকর আঢ্যের (Shankar Adhya) ইডি হেফাজত ফুরিয়েছে। শনিবার তাঁকে আদালতে তোলা হবে। আজ ইডি (Enforcement Directorate) দফতর থেকে স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য শংকরকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন তিনি। দাবি করেন, “আমার একটাও মিল নেই। আমি রেশন সরবরাহও করি না। ফলে রেশন দুর্নীতির সঙ্গে আমি জড়িত এটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন দাবি।”

এর পরই শংকর (Shankar Adhya) বলেন, “হেফাজতে থাকাকালীন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক কীভাবে কলম, কাগজ পেলেন সেটা দেখা দরকার। তা হলেই সত্য উদঘাটন হবে। আমি এই দুর্নীতির ব্যাপারে কিছুই জানি না। কোনও টাকা পয়সাও নিইনি। অভিযোগ করা হচ্ছে কিন্তু প্রমাণ নেই।”



হেফাজতে থেকে কীভাবে চিঠি লিখলেন বালু? ইডিকে পাল্টা প্রশ্ন শংকরের
প্রসঙ্গত, ৫ জানুয়ারি রাতে ১৭ ঘন্টা তল্লাশির পর বনগাঁর বাড়ি থেকে শংকর আঢ্যকে গ্রেফতার করে ইডি (Enforcement Directorate)। এরপর তাঁকে তোলা হয় ব্যাঙ্কশাল আদালতে। আদালত ১৪ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেয়। এই ১৪ দিন সিজিও কমপ্লেক্সেই ছিলেন শংকর। আজ শেষ হয়েছে হেফাজত। ইতিমধ্যেই আদালতে ইডি জানিয়েছে, কালো টাকা সাদা করতে একাধিক বিদেশি মুদ্রা বিনিময় সংস্থা খুলেছিলেন শংকর আঢ্য (Shankar Adhya)। ব্যবহার করতেন পরিবারের লোকজনকেও। এই মুহূর্তে ইডির স্ক্যানারে আছে শংকর আঢ্যের গোটা পরিবার।








