নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২১ এর নির্বাচনে ২০০ পারের লক্ষ্য নিয়ে নির্বাচনে নেমেছিল বিজেপি। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। পরে বদলে যায় নেতৃত্ব। তাতে পরাজয়ের ধারা অব্যহত রয়েছে বঙ্গের গেরুয়া শিবিরে। এর জন্য রাজ্য নেতৃত্বের দিকে আঙুল তুললেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।
আরও পড়ুনঃ Hanskhali Incident: ধানমাঠে গা ঢাকা দিয়েও হল না রেহাই, হাঁসখালির ঘটনায় গ্রেফতার আরও এক
তাঁর কথায়, অপরিণত রাজ্য নেতাদের নেতৃত্বে ভাল ফল আশা করা যায় না। অপরিণত নেতাদের জন্যই উপনির্বাচনে এই ফল হয়েছে। তৃণমূলের থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিষয়টি ভাবা উচিত। যাদের বহিষ্কার করা হয়েছিল তাঁদের ফেরানোর কথা ভাবা উচিত। তবে কি পুরাতনের ধাঁচে দল গড়ার আহবান জানালেন বিজেপি সাংসদ?

শনিবার বালিগঞ্জ এবং আসানসোল কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফলাফল ঘষিত হয়। দুটি আসনেই জয়লাভ করেছে তৃণমূল। প্রায় ৩ লক্ষ ভোটে আসানসোল থেকে জয়লাভ করেন শত্রুঘ্ন সিনহা। ওই লোকসভা কেন্দ্রে দ্বিতীয় স্থানে বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পাল অনেকটাই পিছিয়ে। পাশাপাশি বালিগঞ্জ কেন্দ্র থেকে জয়লাভ করেছেন তৃণমূল প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়। দ্বিতীয় স্থানে বাম প্রার্থী শায়রা শাহ হালিম। জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে বিজেপির।
অপরিণত রাজ্য নেতৃত্বে ভালো ফলের আশা নয়, বিস্ফোরক সৌমিত্র

এমনিতেই বঙ্গ বিজেপি প্রকাশ্যে না এলেও ঠান্ডা লড়াইয়ের কথা শোনা যায়। শুধুমাত্র সৌমিত্র খাঁ নয়, বিজেপির একাধিক সাংসদ এবং বিধায়করা রাজ্য নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সেই তালিকায় ছিলেন সৌমিত্রও। উপনির্বাচনে বিজেপির ভরাডুবিতে সরব হয়েছেন সাংসদ।



