বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়ে আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলেন না রোহিত শর্মা। সাংবাদিক সম্মেলনে এসে তাঁর মুখে কোচ রাহুল দ্রাবিড়-সহ সতীর্থদের কথা। বিশ্বজয়ী নেতা বললেন, তিনি অধিনায়ক হিসাবে ভাগ্যবান একঝাঁক দুর্দান্ত সতীর্থকে পেয়ে। কিন্তু এবার সেই সতীর্থদের কাঁধে দায়িত্ব ছেড়ে দেবার পালা এসেছে।
আরও পড়ুনঃ বিশ্বজয়ীদের ফোন মোদির, শুভেচ্ছা জানালেন রাষ্ট্রপতি থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী



সাংবাদিক বৈঠকে প্রশ্ন করা হয় যে বিশ্বকাপের পরও আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে খেলবেন তো? আর ঠিক তখনি তিনি জানিয়ে দেন ,’ না, না, এটা আমারও ভারতের হয়ে শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ’। ঘরে সবাই হতাশার ছবি ফুটে উঠে। এর মধ্যের রোহিত বলতে থাকেন,’ সত্যি কথা বলতে যেদিন থেকে এই ফর্ম্যাটে খেলতে শুরু করেছিলাম, সেদিন থেকে আমি উপভোগ করতে শুরু করেছিলাম।
এই ফর্ম্যাটকে বিদায় জানানোর এর থেকে ভালো সময় হতে পারে না। প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করছি আমি। এই ফর্ম্যাটে খেলেই ভারতীয় দলের হয়ে আমার কেরিয়ার শুরু হয়েছিল। এটাই আমি চেয়েছিলাম। আমি বিশ্বকাপ জিততে চেয়েছিলাম। আর বলতে চেয়েছিলাম গুডবাই’।



ওপর দিকে এই ঘটনার কিছুখন আগেই এই ফরম্যাট থেকে বিদায় নিয়েছেন বিরাট কহেলি। তিনিও ম্যাচের সেরা পরস্কার নিতে গিয়ে বিদায়ের কথা ঘোষণা করেছেন। জয়ী হয়েই টি-টোয়েন্টি থেকে বিদায় ঘোষণা যেন আনন্দের মধ্যে বিসাদের সুর। আর কোনদিন দেশের হয়ে কুড়ি-কুড়ির ম্যাচে নামবেন না দুজনে।
আনন্দের মধ্যেই বিষাদের সুর, কুড়ির ক্রিকেট থেকে বিদায়া নিলেন রোহিত-বিরাট

অন্য ফরম্যাটে এখন তাঁরা খেলবেন অনেকদিন কিন্তু টি-টোয়েন্টিতে আর কখনও দেখা যাবে তাঁদের। পরের মেগা টুর্নামেন্ট দেশের মাটিতে। যদিও শ্রীলঙ্কাও রয়েছে আয়োজক দেশ হিসেবে। ২০২৬ সালে রোহিতের বয়স দাঁড়াবে ৩৯। আর বিরাটের ৩৭। ফর্ম, ফিটনেসের যদি-কিন্তু পেরিয়েও তাঁরা যে ফের দেশের জার্সিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নামবেন না, সেটা আজই পরিষ্কার হয়ে গেল।







