সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই আবহে কাজে গতি দেখা গিয়েছে কলকাতা পুলিশের। আরজি কর কাণ্ডে একাধিক ব্যক্তি জড়িত আছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। যদিও পুলিশ প্রথমে সেই দাবি খারিজ করেছিল। তবে গতকাল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়িয়ে কলাকাত পুলিশের কমিশনার বিনীত গোয়েল মন্তব্য করেছিলেন, ‘এই ঘটনায় আর কেউ জড়িত থাকলে ৪-৫ দিনে তাদের গ্রেফতার করা হবে।’
এহেন পরিস্থিতিতে গতকাল নিহত ডাক্তারি পড়ুয়ার বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে নির্যাতিতার বাবা মা এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি৷ মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাতের পর মুখ খুললেন আর জি কর কাণ্ডে নিহত মহিলা চিকিৎসকের বাবা৷ সোমবার রাতে তিনি বলেন, ‘আমরা মুখ্যমন্ত্রীর উপরে পূর্ণ আস্থা রেখেছি’।


তিনি আরও বলেন,’বিভিন্ন সংগঠন থেকে আসা মানুষের কাছে আমরা একটাই দাবি রেখেছি, আমরা ন্যায় বিচার চাই। ডাক্তার থেকে শুরু করে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ যাঁরাই এসেছেন, আমরা একই কথা বলেছি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দেখে তাঁরা বলেছেন,এটা একজনের কাজ নয়। পুলিশ তদন্ত করছে। পুলিশের উপরে আস্থা রেখেছি।’
কিন্তু মেয়ের এই নৃশংস পরিণতির জন্য কাকে বা কাদের সন্দেহ করছেন তাঁরা? নিহত চিকিৎসকের বাবা চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলে বলেন, ‘আর জি কর হাসপাতালের চেস্ট মেডিসিন ডিপার্টমেন্টে যারা রয়েছে, তাদেরকেই আমরা সন্দেহের তালিকায় রেখেছি৷’







