আর জি কর-কাণ্ডে নতুন তথ্য সামনে এল এবার। নিহত চিকিৎসকের মৃতদেহের ময়নাতদন্তের জন্য তিন সদস্যের যে পোস্টমর্টেম টিম তৈরি করা হয়। সেই টিমের সদস্যার নোট ঘিরেই ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ রিনা দাসের নোট ঘিরে তৈরি হয়েছে চাঞ্চল্য। যেখানে বলা হয়েছে, ‘বিকেল চারটের পর ময়নাতদন্ত করতে হলে স্পেশাল অর্ডার লাগবে’, এই স্পেশাল অর্ডার না দিলে তিনি পোস্টমর্টেম করতে পারবেন না বলে জানিয়েছিলেন রিনা দাস। কিন্ত জরুরি পরিস্থিতিতে এবং কিছু বিশেষ ইস্যুতে বিকেল চারটের পর ময়নাতদন্ত করার অনুমতি দেওয়া হোক বলে চিঠি লিখেছিলেন টালা থানার ওসি।
রিনা দাস হল ওই চিকিৎসক তরুণীর ময়নাতদন্তের জন্য যে ৩ সদস্যের একটি পোস্টমর্টেম টিম তৈরি করা হয় টার সদস্য ছিলেন তিনি। আর তিনি এই পোস্টমর্টেম প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য দফতরের পুরানো মেমোর উল্লেখ করেছিলেন এই রিনা দাস। চিঠি পাওয়ার পর, আর জি কর হাসপাতালের ফরেন্সিক বিভাগের প্রধানকে চিঠি লেখেন টালা থানার ওসি। জরুরি পরিস্থিতিতে এবং কিছু বিশেষ ইস্যুতে বিকেল চারটের পর ময়নাতদন্ত করার অনুমতি দেওয়া হোক। চিঠিতে একথাই লিখেছিলেন টালা থানার ওসি। কীসের এত তাড়াহুড়ো, তথ্য সামনে আসার পর ফের উঠছে প্রশ্ন।


উল্লেখ্য, আরজি করে তরুণী চিকিসকের খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় তার দেহ দ্রুত ময়না তদন্ত করা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছিল। এমনকি ওই নির্যাতিতার বাবা-মা ও একই অভিযোগ করেছিল। এমনকি সোমবার সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানিতেও এদিন এই বিষয়টি ওঠে। এবার একেবারে এই নোট সর্বসমক্ষে প্রকাশ পায়। যেখানে দেখা যায় গত ৯ অগাস্ট ওই মহিলা চিকিৎসকের ময়নাতদন্তের জন্য আরজি কর হাসপাতালে একটি মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়।







