পাঠানকোট লক্ষ করে মিসাইল, ২০ টি ড্রোনের হামলা পাকিস্তানের, ধ্বংস করল সূদর্শন চক্র

পাঠানকোট হামলা ব্যর্থ হওয়ার পরই পাকিস্তান নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর উরি ও পুঞ্চ সেক্টরে শুরু করে গোলাবর্ষণ। আচমকা বিস্ফোরণের জেরে কেঁপে ওঠে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলি। সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। শুক্রবার রাতেই পাকিস্তানের তরফে পাঠানকোটের দিকে ছোঁড়া হয় একাধিক মিসাইল। তবে ভারতের শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, S-400 এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম অর্থাৎ ‘সূদর্শন চক্র’-এর নির্ভুল কার্যক্ষমতায় মাঝ আকাশেই ধ্বংস করা হয় সেই মিসাইল। ভারতের সামরিক সজাগতা ফের প্রমাণ দিল যে দেশের নিরাপত্তা বলয় অভেদ্য।

সূত্রের খবর, পাকিস্তানের উদ্দেশ্য ছিল সেনা ছাউনির কাছাকাছি বিস্ফোরণ ঘটানো, যাতে বড়সড় ক্ষয়ক্ষতি হয়। কিন্তু ভারতের দ্রুত প্রতিক্রিয়ায় সেই চক্রান্ত ব্যর্থ হয়। এই ঘটনার কিছুক্ষণ পরেই কাশ্মীর এয়ারপোর্ট লক্ষ করে এক ঝাঁক ড্রোন উড়ে আসতে দেখা যায়। সঙ্গে সঙ্গেই মাঝ আকাশে আতসবাজির মত সেই ড্রোন গুলিকে উড়িয়ে দেয় ভারতীয় এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম।

Shamim Ahamed Ads

পাঠানকোট লক্ষ করে মিসাইল, ২০ টি ড্রোনের হামলা পাকিস্তানের, ধ্বংস করল সূদর্শন চক্র

পাঠানকোট লক্ষ করে মিসাইল, ২০ টি ড্রোনের হামলা পাকিস্তানের, ধ্বংস করল সূদর্শন চক্র
পাঠানকোট লক্ষ করে মিসাইল, ২০ টি ড্রোনের হামলা পাকিস্তানের, ধ্বংস করল সূদর্শন চক্র

উরি-পুঞ্চে গোলাবর্ষণ, জম্মু বিমানবন্দরে সাইরেন বাজানো, হরিয়ানাতেও সতর্কতা। পাঠানকোট হামলা ব্যর্থ হওয়ার পরই পাকিস্তান নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর উরি ও পুঞ্চ সেক্টরে শুরু করে গোলাবর্ষণ। আচমকা বিস্ফোরণের জেরে কেঁপে ওঠে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলি। সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক।

একইসঙ্গে, জম্মু বিমানবন্দরে বাজানো হয় উচ্চ সতর্কতা সাইরেন। ঘটানো হয় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট— বাতি নিভিয়ে ফেলা হয় বাঙ্কার ও গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাগুলিতে। এমনকি, হরিয়ানার বিভিন্ন অংশেও রাতের দিকে জারি করা হয় সতর্কতা।

সেনা সূত্রে খবর, ভারতীয় সেনা ও বায়ুসেনা সম্পূর্ণভাবে সতর্ক এবং পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে। মিসাইল প্রতিরোধ থেকে শুরু করে গোলাবর্ষণের জবাব— সব ক্ষেত্রেই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

S-400: ভারতের আকাশরক্ষা ব্যবস্থা আরও একবার প্রমাণ করল দক্ষতা – S-400 Triumph, রাশিয়া থেকে আনা এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ভারতের অন্যতম নির্ভরযোগ্য অস্ত্র হিসেবেই ধরা হয়। মাঝ আকাশে শত্রুর ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোনকে ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে এটি। শুক্রবার রাতের ঘটনায় স্পষ্ট, এই ব্যবস্থা পাকিস্তানের বারংবার চক্রান্ত ব্যর্থ করে দিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তানের তরফে এখন ধারাবাহিকভাবে উসকানিমূলক হামলা চালানো হচ্ছে, তবে ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং সেনার জবাব সেই চেষ্টা রুখে দিচ্ছে প্রতিবার।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত