চোখের জলে পাইলট ছেলেকে বিদায়, আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ক্যাপ্টেন সুমিতের শেষযাত্রা

৮২০০ ঘণ্টার অভিজ্ঞ পাইলট ছিলেন ক্যাপ্টেন সুমিত সাবরওয়াল। বিমান দুর্ঘটনার কয়েক সপ্তাহ আগেই বাবার সেবার জন্য চাকরি ছাড়ার পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

আকাশে ডানা মেলে যাঁর জীবনের গল্প শুরু হয়েছিল, সেই পাইলট ক্যাপ্টেন সুমিত সাবরওয়ালের (Captain Sumeet Sabharwal) শেষযাত্রা সম্পন্ন হল মাটিতে অশ্রুজল ভেজা বিদায়ে।
আমদাবাদ বিমান দুর্ঘটনায় (Ahmedabad Plane Crash) প্রাণ হারিয়েছিলেন এই অভিজ্ঞ এয়ার ইন্ডিয়া পাইলট। মঙ্গলবার তাঁর শেষকৃত্যে উপস্থিত ছিলেন ৮২ বছর বয়সি বৃদ্ধ বাবা, মা এবং শোকস্তব্ধ পরিবার।

ক্যাপ্টেন সুমিত ছিলেন এয়ার ইন্ডিয়ার একজন লাইন ট্রেনিং ক্যাপ্টেন, ড্রিমলাইনার বিমান চালানোর ক্ষেত্রে তাঁর দক্ষতা ছিল অনস্বীকার্য।
ফার্স্ট অফিসার ক্লাইভ কুন্ডারের সঙ্গে উড়ানে থাকা সুমিতের মোট ফ্লাইং আওয়ার ছিল প্রায় ৯৩০০ ঘণ্টা, যার মধ্যে সুমিতের একারই ৮২০০ ঘণ্টার অভিজ্ঞতা ছিল।

চোখের জলে পাইলট ছেলেকে বিদায়, আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ক্যাপ্টেন সুমিতের শেষযাত্রা

চোখের জলে পাইলট ছেলেকে বিদায়, আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ক্যাপ্টেন সুমিতের শেষযাত্রা
চোখের জলে পাইলট ছেলেকে বিদায়, আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ক্যাপ্টেন সুমিতের শেষযাত্রা

ঘনিষ্ঠ সহকর্মীদের কথায়, “সুমিত ছিলেন নিয়ম-কানুনের কড়া অনুগামী। ট্রেনিং বা ফ্লাইটে কোনও ফাঁক থাকত না। সর্বদা ঠান্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত নিতেন।”

তবু, এই অভিজ্ঞ পাইলটের হাতেই থাকা বিমানটি কেন ভেঙে পড়ল, সেই প্রশ্ন আজও ঘুরছে মাথায়।
আরো হৃদয়বিদারক তথ্য—সুমিত সম্প্রতি জানিয়েছিলেন, তিনি শীঘ্রই চাকরি ছেড়ে দেবেন। কারণ, তাঁর বাবা প্রবীণ এবং অসুস্থ। তাঁদের দেখভালের জন্যই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, বাবার পাশে দাঁড়ানোর আগেই চিরবিদায় জানালেন এই প্রতিশ্রুতিশীল পাইলট।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত