চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রথম ম্যাচেই বড় হারের মুখে পড়ল পাকিস্তান। ঘরের মাঠে, পাকিস্তান ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মোহাম্মদ রিজওয়ানয়ের নেতৃত্বে, নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদের শক্তি তুলে ধরতে ব্যর্থ হলো পাকিস্তান। তাদের ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং— তিনটি বিভাগেই দেখা গেল দিশাহীনতা।
নিউ জিল্যান্ড ৩২০ রানে ৫ উইকেট নিয়ে জয়ী হলেও, পাকিস্তান ৪৭.২ ওভারে ২৬০ রানেই থেমে যায়, ফলে ৬০ রানের বড় পরাজয় বরণ করে।


পাকিস্তানের বোলিং ত্রুটি:
রিজওয়ান টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন, বিশ্বাস ছিল বোলারদের ওপর। তবে, শাহিন আফ্রিদি, নাসিম শাহ, এবং হ্যারিস রউফ তিন জোরে বোলারই নিউ জিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানদের চাপের মধ্যে রাখতে ব্যর্থ হন। এই ত্রুটির ফায়দা নেয় উইল ইয়ং, টম লাথাম, ও গ্লেন ফিলিপ্সরা। নিউ জিল্যান্ডের ইনিংসে ৩২০ রান তাড়া করতে নেমে পাকিস্তানের ব্যাটাররা শুরুতেই মন্থর ব্যাটিং করতে থাকে, যা পরবর্তীতে তাদের পরাজয়ের অন্যতম কারণ হয়।
নিউ জিল্যান্ডের ব্যাটিং পারফরম্যান্স:
নিউ জিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ইয়ং এবং লাথাম একাই পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণ ভেঙে দেন। ইয়ং ১১৩ বলে ১০৭ রান করেন এবং লাথাম ১০৪ বলে ১১৮ রানের ইনিংস খেলেন। এছাড়া, ফিলিপ্স ৩৯ বলে ৬১ রান করে পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণকে চ্যালেঞ্জ জানান।
পাকিস্তানের ব্যাটিং সমস্যা:
ব্যাটিংয়ে পাকিস্তান দ্রুত রান তুলতে না পারায় চাপের মধ্যে পড়ে যায়। ফখর জামান ইনজুরি নিয়ে ওপেন করতে না পারায়, সাউদ শাকিল বাবরের সাথে ওপেন করেন, কিন্তু তার ব্যাট থেকে আসে মাত্র ৬ রান। পাকিস্তানের অধিনায়ক রিজওয়ানও মাত্র ১৪ বল খেলেই ৩ রান করতে পারেন।


ফর্মে না থাকা বাবর আজম ৯০ বল খেলে ৬৪ রান করেন, যা দলের জন্য প্রয়োজনীয় ছিল না। একমাত্র সলমন আগার ব্যাট হাতে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও, শেষ পর্যন্ত ২৬০ রানে থেমে যায় পাকিস্তান। শেষ দিকে কিছুটা লড়াই করলেও খুশদিল শাহ ও শাহিন আফ্রিদিরা দলের পরাজয় আটকাতে পারেননি।
ফিল্ডিংয়ের দুর্বলতা:
ফিল্ডিংয়েও পাকিস্তানের পারফরম্যান্স ছিল দুর্বল। ম্যাচের প্রথম বলেই ফখর জামান ফিল্ডিং করতে গিয়ে চোট পেয়ে ওপেন করতে পারেননি। এছাড়া, আর কোনও পাকিস্তানি ফিল্ডার গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচ কিংবা রান আউট করতে পারেননি, যার ফলে তারা চাপের মধ্যে পড়ে যায়।








