নজরবন্দি ব্যুরোঃ পড়শি দেশ থেকেই উড়ে আসে গোলা, গুলি। ঢুকে আসে জঙ্গি। জবাব দেয় ভারতীয় সেনা। এটাই হয়ে এসেছে সবসময়। কিন্তু এবার একটু অন্য রকমই হল। এপার থেকে ছুটে গিয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র। যা সোজা গিয়ে পড়েছে পাকিস্তানে। সেই নিয়ে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে সেই দেশে। যদিও কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছিল, সম্পূর্ণ ‘ভুলবশত’ এই কাণ্ড ঘটেছে। এর জন্য প্রযুক্তিগত গলদকেই দায়ী করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। সেই ক্ষেপণাস্ত্র কাণ্ডে এবার ভারতের বিরুদ্ধে সুর চড়াল ইসলামাবাদ।
আরও পড়ুনঃ ATK Mohun Bagan FC: কোন ছকে হায়দ্রাবাদ বধ করবেন ফেরেন্দো? বুমোস নিয়ে ধোঁয়াশা
আসলে গত বুধবার সেনার মহড়া চলছিল। তখন ভারতীয় সেনার ওই ক্ষেপণাস্ত্র গিয়ে ঢুকে পড়ে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের মিলন চানু শহরে। খবরটি প্রথম প্রকাশ করে রাশিয়ার সংবাদ সংস্থা স্পুটনিক। তারাই প্রথম জানায় হরিয়ানার সিরসার কাছে কোনও এলাকা থেকে একটি ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। এমনকি পাকিস্তানের বায়ুসেনা ওই ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রবেশ করতেও দেখেছে পাক পাঞ্জাবের মিলন চানু শহরে। এরপরই বৃহস্পতিবার একটি বিবৃতি দিয়ে দিল্লি ঘটনাটির কথা স্বীকার করে নেয়।
তবে এই নিয়ে ভারতকে নিশানা করে একাধিক মন্তব্য করে বসে পাকিস্তান। প্রথমে তাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তরফে এক বিবৃতি দিয়ে বলা হয়,গত ৯ মার্চ ভারতের সুরাটগড় থেকে প্রজেক্টাইল নিক্ষিপ্ত হয়ে মিয়া চান্নুর কাছে পড়ে। যারফলে ফলে বেসামরিক মালিকানাধীন সম্পত্তির যথেষ্ট ক্ষতি হয়েছে। ভারতীয় কুটনীতিককে জানানো হয়েছে, এমন অবিবেচকের মত ক্ষেপনাত্র নিক্ষেপ সম্পত্তির ক্ষতি সাধন ছাড়াও স্থানীয় মানুষের জীবনের প্রতি হুমকি সৃষ্টি করেছে।
ক্ষেপণাস্ত্র কাণ্ডে বিস্ফোরক ইউসুফ

সেই নিয়েই এবার ভারতকে নিশানা করেন পাক নিরাপত্তা উপদেষ্টা মোইদ ইউসুফ। তিনি বলেন, ভারতের এমন ঘটনা বিশেষত স্পর্শকাতর প্রযুক্তির ব্যবহারের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দেয়। তবে এখানেই থামেননি ইউসুফ। এই ঘটনার পর থেকেই নেটমাধ্যমে ভারতের সমালোচনায় সরব হতে দেখা যায় তাকে। ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে আরও বলেন, “ক্ষেপণাস্ত্রটি যেখানে এসে পড়েছিল তার খুবই কাছে ছিল পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক ও অন্তর্দেশীয় বিমানবন্দর। যারফলে একটু এদিক ওদিক হলেই বহু প্রাণহানির আশঙ্কা থাকত।” তবে স্বস্তির বিষয় হল এই ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর মেলেনি।



