নজরবন্দি ব্যুরোঃ টাকা দিচ্ছে না কেন্দ্র৷ যার ফলে সংকটের মুখে রাজ্যের কোষাগার। এমত অবস্থায় রাজ্যকে চিঠি দিয়ে সতর্কবার্তা পাঠাল কেন্দ্র। রাজ্যের বিরুদ্ধে পুরাতন যে সমস্ত অভিযোগ উঠেছে, তা সহজে না মেটা অবধি বকেয়া টাকা না মেটানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই সেই বার্তা নবান্নে এসে পৌঁছে গেছে৷
আরও পড়ুনঃ চাকরি প্রার্থীদের ৬০০ দিন ধরে আন্দোলন, হবু শিক্ষকদের মঞ্চে বাম নেতৃত্ব
রাজ্যে একশো দিনের প্রকল্পে বেলাগাম দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি নেতারা। ভুয়ো মনরেগার কাজের হিসেব তুলে ধরে বারবার শাসক দলকে তুলোধনা করেছে বিজেপি। একইসঙ্গে দিল্লির দরবারে বারবার পত্রপ্রেরণ করেছেন মুরলীধর সেন লেনের নেতারা। এখানেই শেষ নয়, কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক প্রকল্পের নাম বদল করে চালানোর অভিযোগ তোলা হয়েছিল রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে।

গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছিল দিল্লি৷ সেই প্রতিনিধি দলের সামনে বিড়ম্বনায় পড়তে দেখা যায় শাসক দলের নেতাদের। ১৫ টি জেলায় পঞ্চায়েতে চুরি ও অনিয়ম তারা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। এবং সাফ জানিয়ে দেয় যে, ভুয়ো খরচ ও অনিয়মের টাকা উদ্ধার করতে হবে। এমনকি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বার্তা পাঠান পর্যবেক্ষক দল৷

দুর্নীতিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পর এটিআর পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন বিভাগে পাঠানো কথা জানানো হয়। সেইমতো রিপোর্ট পাঠিয়েছিল নবান্ন। সেখানে ২ কোটি টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ উঠেছিল। কিন্তু তাতে সন্তুষ্ট হয়নি কেন্দ্র। পাল্টা একাধিক নিয়মাবলী তুলে ধরা হয়। দিল্লির ওই চিঠি পেয়ে পঞ্চায়েত দফতর রাজ্যের ১৫ টি জেলাকে জানিয়ে দিয়েছে যে অবিলম্বে কেন্দ্রের নির্দেশ মতো অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট তৈরি করে পাঠাতে হবে। এরপরেই রাজ্যের বকেয়া টাকা মেটানোর ক্ষেত্রে কড়াকড়ি ভূমিকা নেয় কেন্দ্র।
পঞ্চায়েতের চোর না ধরা পড়া পর্যন্ত টাকা নয়, নবান্নে পত্রবোমা পাঠাল কেন্দ্র

শাসক দলের বক্তব্য, রাজনৈতিকভাবে পেরে উঠতে না পেরেই এখন বকেয়া টাকা বন্ধ করে দিতে চাইছে কেন্দ্র। প্রশাসনিকভাবে আটকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে আগামী দিনে পরিণাম ভয়ঙ্কর হতে পারে৷



